বিশেষ প্রতিনিধি
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘ওয়াসার পানির ৯৯ শতাংশ পান করার কাজে ব্যবহার হয় না। ৯৯ শতাংশ পানি ব্যবহার হয় মূলত ধোয়ামোছা, গোসল করাসহ ইত্যাদি কাজে। এক শতাংশ পানি জীবন ধারণের প্রয়োজনে ব্যবহার হয়। এই পানি পানের অযোগ্য হওয়ার উত্স খুঁজে বের করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অগ্নিনির্বাপণ প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কোথায় পানি দূষিত হয়, ওয়াসার পাইপ লাইনের সোর্স থেকে আমরা পানি এনেছি। আমরা দেখেছি যেখানে উত্পাদন হয় সেখানে পানি ঠিক আছে। প্রত্যেক বাড়িতে তো রিজার্ভার আছে, রিজার্ভার আপনি কতটুকু মেইনটেন করতে পারেন? আর ইউ শিওর ইউ কিপ ইট হাইজেনিক”। যদি না রাখতে পারেন সেখানে দূষণ হতে পারে।’
সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান গত ২০ এপ্রিল বলেছিলেন, ঢাকা ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। সংস্থার এমডির এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াসার পানি দিয়ে শরবত বানিয়ে ২৩ এপ্রিল এসেছিলেন জুরাইনের কিছু বাসিন্দা। কিন্তু এমডিকে শরবত খাওয়াতে পারেননি তারা।