ইত্তেফাক রিপোর্ট
ওয়াসার নিজস্ব ল্যাবে পরীক্ষাকৃত পানির মানের প্রতিবেদন জনসমক্ষে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। তারা বলেছেন, ওয়াসার পানির গুণগতমান কঠোর পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে। ওয়াসার ডিপ টিউবওয়েলের মুখে নয়, পানির বিশুদ্ধতা মাপতে হবে গ্রাহকের বাসার পানির ট্যাংকে। প্রকল্প গ্রহণের পরিবর্তে পানির গুণগতমানের দিকে নজর দিতে হবে ওয়াসাকে। গতকাল কাওরান বাজার এলাকায় ওয়াসা ভবনের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে বক্তারা এসব দাবি জানান।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)সহ সমমনা সংগঠনগুলো এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন— স্টামফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ নিরাপদ পানি আন্দোলনের (বানিপা) সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, নাগরিক সমাজের আহবায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ, বিসিএইচআরডির নির্বাহী মাহবুব হক, পবার অর্গানাইজার ও সবুজ ছাতা হেল্থ কেয়ার লি. এর এমডি মো. শরিফুজ্জামান খান সাঈদ প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, রাজধানীতে সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। বছরের অধিকাংশ সময়ই এ সংকট থাকলেও গরমকালে সেটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। গ্রাহকদের অভিযোগ ওয়াসার পানি মারাত্মক দুর্গন্ধযুক্ত, ঘোলাটে ও ময়লায় ভরা। এমন পানি না ফুটিয়ে পান করা সম্পূর্ণ অনিরাপদ হওয়ায় তারা পানি ফুটিয়ে পান করছেন। টিআইবির একটি গবেষণা প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে ৯১ শতাংশ গ্রাহকই পানি ফুটিয়ে পান করেন। বাসাবাড়িতে এ পানি ফোটাতে বছরে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ ৩৭ হাজার ঘনমিটার গ্যাস পোড়াতে হয়। এতে ৩৩২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা খরচ হয় সাধারণ মানুষের।