ওসমানীনগরে গর্ত থেকে উদ্ধার মৃত নারীর পরিচয় জানা গেছে

সিলেটের ওসমানীনগরে একটি গর্ত থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল গত ৫ নভেম্বর। তখন তার পরিচয় জানা যায়নি। এ কদিনের তদন্তে তার পরিচয় জানা গেছে। তিনি লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নয়নপুর (মস্তান বাড়ী) গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে সুমি আক্তার তিশা (২৮)। তিনি কদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা থানায় এসে তার ছবি দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।
 
উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর বেলা ১টার দিকে এলাকার আব্দুল বারী ও অন্য আরেকজন থানায় ফোন করে জানান, দয়ামীরে অজ্ঞাত এক নারীকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পুরোটা জানতে কৌশলে আব্দুল বারীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই নারীকে তার বাড়িতে রবিবার রাতে খুন করে দয়ামীর বাজারের পশ্চিমে মোকামের পাশে মাটিচাপা দিয়ে মরদেহ গুমের কথা স্বীকার করেন। খুন করতে তাকে আরও কয়েকজন সহযোগিতা করেছে বলেও জানায় বারী। 
 
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে এবং ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে। পরদিন চারজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ৩। উক্ত মামলায় উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর গ্রামের আব্দুল গনি (৪০), একই ইউনিয়নের খালপাড় গ্রামের মৃত হুরমত উল্যার পুত্র আব্দুল বারী (৪০), তার কথিত স্ত্রী পাখি বেগম (২০), কন্যা মোনালিসা (১৩) ও তাজপুর ইউপির মজলিসপুর গ্রামের জনাব আলীর পুত্র সেলিম মিয়াকে (৩৫) আসামি করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
 
মামলার তদন্তকারী ওসমানীনগর থানার এসআই মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, নিহত অজ্ঞাত মহিলার পরিচয় পাওয়া গেছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/নূহু