আওয়ামী যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ এ যুব সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রথিতযশা সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে যুবলীগ বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ রবিবার সকাল ৮টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সকাল সাড়ে ৮টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি’র কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ এবং সকাল সাড়ে ৬ টায় যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ এক বিবৃতিতে যুবলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা চড়াই-উত্রাই, ঘাত-প্রতিঘাত অত্যাচার-নির্যাতন, জেল-জুলুম কোনো কিছুই এ সংগঠনের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারেনি। একটি দিনের জন্যও রাজপথ ছেড়ে যায়নি এবং আদর্শচ্যুত হয়নি। আওয়ামী যুবলীগ আজ দেশের প্রগতিশীল যুবসমাজের আস্থার ঠিকানা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য স্নেহধন্য আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ। আওয়ামী যুবলীগের লক্ষ্য রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিশ্ব শান্তির দর্শন ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ সুদৃঢ় করা, সুসংহত করা এবং সর্বস্তরের জনগণ ও প্রগতিশীল যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে এ দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা।
নেতৃদ্বয় বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ করতে গিয়ে যুবলীগ নেতা বগুড়ার খসরু, চট্টগ্রামের মৌলভী সৈয়দ জীবন দিয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ নূর হোসেন ছিলেন যুবলীগ কর্মী।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ