গত সপ্তাহেই পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের দুটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠী বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এ হামলায় ৭ সেনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর ১৩ সদস্য নিহত হয়। এরপর থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বেলুচিস্তানের রাজধানীতে।
বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসলামাবাদ পুলিশ কূটনৈতিক ছিটমহল এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থাপনা, সরকারি ভবন, সংসদ ভবন, পিটিভি, পাক সচিবালয় এবং পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত পুলিশ কমান্ডো, রেঞ্জার্স এবং আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
ইসলামাবাদ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেলের সভাপতিত্বে একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদকে মোকাবিলা করতে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সুরক্ষিত এমন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ আগে বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের শীর্ষ এক সেনা কর্মকর্তা এসব হামলা ও হতাহতের তথ্য জানিয়েছেন। আর রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতভর এসব হামলার ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে ৭ সেনাসদস্য ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
নিজেদের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব হামলার দায় স্বীকার করে বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। তারা জানায়, ঘাঁটিগুলোতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়েছে, সাথে বিস্ফোরকভর্তি গাড়িও ছিল। আমাদের ভাইদের সাহসিকতায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।