চালু হয়নি মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল

পদসৃজন, আসবাবপত্র ও ওষুধের অভাবে প্রায় আড়াই বছরেও চালু হয়নি মাদারীপুর জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল অথচ সম্পূর্ণ নির্মাণকাজ শেষে মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে এটি হস্তান্তর করে এদিকে জানা গেছে, ভবনে রক্ষিত অনেক মূল্যবান যন্ত্রপাতি বিনষ্ট হওয়ার পথে সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা সদরে ২০১৪ সালে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০১৯ সালের জুন মাসে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয় প্রায় ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল ভবনটি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বুঝে নেয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) প্রতিনিধি সালাউদ্দিন খান জানান, অবহেলিত মাদারীপুর জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে অবিলম্বে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চালু করা দরকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিন-চার জন জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলা সদরের ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালুর বিষয়টি মাদারীপুরবাসীর প্রাণের দাবি এ ব্যাপারে করো অনীহা থাকার কথা নয় সদর উপজেলার রাজারচর গ্রামের আইয়ুব আলী বেপারী দুঃখ করে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় হাত-পা ভেঙে গেলে বা মারাত্মক আহত রোগীকে প্রায়ই অন্যত্র, বিশেষ করে ফরিদপুর, বরিশাল বা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে ফলে রোগীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুনীর আহমেদ খান জানান, ২৫০ শয্যা হাসপাতালে লোকবল (পদসৃজন) এবং ওষুধ ও আসবাবপত্রের অভাব রয়েছে বিশেষ করে, রোগীদের থাকার শয্যা, আলমারি, বেডসাইড লকার নেই জনবল নিয়োগের বিষয়সহ সার্বিক ব্যাপার বিভাগীয় ঊধ্বর্তন কতৃ‌র্পক্ষকে জানানো হয়েছে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নুরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে প্রায় ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে ফলে হাসপাতালে আগত রোগীদের চিকিত্সা দিতে সংশ্লিষ্টদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চালু হলে রোগীর চাপ অনেকাংশে কমে যাবে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাবে রোগীরা মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম খান জানান, জেলা সদরের ২৫০ শয্যার হাসপাতালটির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এছাড়া ভবনটির সপ্তম তলায় বর্তমানে আসিইউ নির্মাণের কাজ চলছে