গত তিন বছর ধরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি বড়পুলের মোকা থেকে বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদ যাওয়ার রাস্তাটি খুঁড়ে রাখার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।
অপরদিকে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ফায়ার সার্ভিসের মোড় থেকে গদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এক কিলোমিটার বাইপাস সড়কটির খোয়া উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়ক দুটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।
উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের বড়পুলের মোকা থেকে বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদ যাওয়ার রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। টেন্ডারের মাধ্যমে কাজটি পায় নীলফামারীর একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঐ বছরই ঠিকাদার সড়কটি সংস্কারের জন্য খুঁড়ে রাখেন।
বাহাগিলি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সুজাউদ্দোলা লিপটন বলেন, বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। ঐ সড়কটি ছাড়া আর কোনো বিকল্প সড়ক নেই। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। কিন্তু কী কারণে এলজিইডি দপ্তর সড়কটি সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তা আমার জানা নেই। এলজিইডির খামখেয়ালির কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবু বলেন, ফায়ার সার্ভিসের মোড় থেকে গদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত বাইপাস সড়কটি কিছুদিন আগে সংস্কার করা হতে না হতেই গোটা সড়কটি দেবে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ঐ সড়ক দিয়ে কোনো যানবাহন তো দূরের কথা মানুষ চলাচল করতে পারছে না।
উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান বলেন, বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদ যাওয়ার রাস্তাটির কাজ খুব দ্রুত শুরু করা হবে। অপর সড়কটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলজিইডির নীতিমালা অনুযায়ী চার বছরের আগে কোনো সড়ক সংস্কারের নিয়ম নেই। যদি বাইপাস সড়কটি সংস্কারের চার বছর হয়ে থাকে তাহলে সেটি পুনঃসংস্কারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।