শীতে যবুথবু ঝিনাইগাতীর খেটে খাওয়া মানুষ

গত ২ দিনের গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে প্রচণ্ড শীত জেঁকে বসেছে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলা সহ পাহাড়ি এলাকায়। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে দেখা দিয়েছে,আমাশা,ডায়রিয়া, ঠাণ্ডা ও পানি বাহিত রোগ সহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব। শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন এসব রোগে। হাসপাতালেও বেড়েছে রোগীর চাপ।

চলতি বোরো ফসলের মাঠ পরিষ্কার পরিছন্নতা ও বোর চারা রোপণের কাজ শুরু হয়েছে পুরোদমে। প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে কৃষকরা সকাল থেকেই ফসলের মাঠে কাজ করলেও হাড়-কাঁপানো শীতে গবাদি-পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। শীত থেকে বাঁচতে সন্ধ্যার পরপরই আগুনের তা নিতে দেখা যায় হাট-বাজার গুলোতে।

সূর্যের আলোর দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমেনি । পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষেরা ঘন-কুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও শীতের মধ্যে অতি কষ্টে জীবনযাপন করছে। পুরাতন কাপড়ের দোকানে কমদামের শীত বস্ত্র ক্রয় করতে গরিব মানুষের উপচে পরা ভিড় লক্ষ্য করা যায় । 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আল মাসুদ জানান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের মাধ্যমে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে এ বছর ২য় দফায় কম্বল বিতরণ করা হয়েছে । এছাড়াও আশ্রয়ণ প্রকল্পে ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি । 

উপজেলা প্রকল্প  বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, প্রথমে ৩,২০০টি দ্বিতীয় দফায় ২৬০০টি কম্বল এ পর্যন্ত বরাদ্দ এসেছে । এখান থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ১,০০০ টি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়গণকে বরাদ্দ ৫০০ টি করে কম্বল বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে।

শীত নিবারণের জন্যে কম্বল বিতরণ হলেও তা অপ্রতুল বলে বলছে সাধারণ মানুষ । এবার সেচ্ছাসেবী সংগঠন ভয়েজ অফ ঝিনাইগাতী ব্যতীত উল্লেখযোগ্য সামজিক সংগঠন শীতার্তদের পাশে দাঁড়ায়নি।