ইউক্রেন ইস্যুতে কূটনৈতিক পথ এখনো খোলা: মস্কো 

ইউক্রেনকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মিত্র বেলারুশের সঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। অত্যাধুনিক সব সামরিক সরঞ্জামাদির পাশাপাশি দক্ষ সেনাদের নিয়ে টানা ১০ দিন মহড়া চালিয়ে যাবে মস্কো। যৌথ মহড়াকে কেন্দ্র করে স্নায়ুযুদ্ধের পর সাবেক সোভিয়েত বেলারুশে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় মোতায়েন বলছে ন্যাটো। 

মহড়া উপলক্ষে গত একমাস ধরেই বেলারুশে সেনা, সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে মস্কো। এরমধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্হা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র আছে। রাশিয়ার এমন তত্পরতা নিয়ে সম্প্রতি একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া যৌথ সামরিক মহড়া পূর্ব ইউরোপের উত্তেজনাকে আরও উসকে দেবে। এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে হোইয়াট হাউজ।

বেলারুশে ইতোমধ্যে রাশিয়া নতুন করে ৩০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। এসব সেনা সবই মহড়ায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। যৌথ মহড়াকে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা করে ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘রাশিয়া-বেলারুশ ‘অভূতপূর্ব হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে’।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এ নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্লাদিমির চিঝভ বলেছেন, রাশিয়া এখনও মনে করে ইউক্রেন নিয়ে সৃষ্ট সংকটের উত্তেজনা নিরসনে কূটনীতি সহযোগিতা করতে পারে। তিনি জানান, কাউকে আক্রমণ করার কোনো পরিকল্পনা নেই মস্কোর। কিন্তু তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মত পরিবর্তনে রাশিয়াকে উসকানি না দেওয়াটা হলো গুরুত্বপূর্ণ। 

তিনি আরো বলেন, আলোচনায় সুফল আসতে পারে। সমঝোতায় আসার জন্য যেকোনো আলোচনার ক্ষেত্রে ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ ইস্যুকেই গুরুত্ব দিচ্ছে রাশিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি ভুলে যাব না এবং ভুলেও থাকতে পারব না। পাঁচ ধাপে এভাবে ন্যাটোর সম্প্রসারণ আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।’