স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে সার্চ কমিটিতে বিএনপির নাম না দেওয়া এবং নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত এটা দলটির একান্তই নিজস্ব বিষয়। তবে তাদের (বিএনপি) যদি গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে তাহলে ইসি পুনর্গঠনে বিএনপির অংশ নেওয়া উচিৎ। তারা ধ্বংসাত্মক অপরাজনীতি এবং জ্বালাও পোড়াও ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনেও অংশ নেবে বলে বিশ্বাস করি।
শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আইসিটি বিভাগ আয়োজিত ‘কুমিল্লা বিভাগীয় স্টার্টআপ ইনকিবেউশন’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতার বিশ্বে নিজেদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টিকে থাকতে হবে। এ লক্ষ্যে গবেষণার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আইসিটি ও মানবসম্পদসহ নতুন নতুন সম্ভাবনার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময়ে একটি মোবাইল কোম্পানির (সিটিসেল) মোবাইল সেটের দাম ছিল দেড় লাখ টাকা ও প্রতি মিনিট কথা বলতে লাগতো ১৫ টাকা। কিন্তু ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে এ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। এ খাতে বেড়েছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। এখন দেশে এক হাজার টাকায় মোবাইল সেট পাওয়া যায়, ৫০ পয়সা মিনিটে কথা বলা যায়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর আসনের এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এএফএম আব্দুল মঈন, উপ-প্রকল্প পরিচালক (উপ-সচিব) মো. মিজানুর রহমান, কুমিল্লা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো. আবু তাহের ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু।