বর্তমান শূন্য কোভিড নীতিতে ভুগছে চীনা জনগণ। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে,গণ পিসিআর পরীক্ষা, গণ টিকাদান এবং ভ্যাকসিন গবেষণা থেকে প্রচুর মুনাফা আয় করতে চায় চীন। এজন্যই চীনে কঠোর নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
হার্ভার্ড ইয়েনচিং ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক এবং জিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভিজিটিং প্রফেসর হুয়াং ওয়ানশেংয়ের একটি কথিত অডিও ক্লিপ অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে জানা যায়, ২০২০ সালের জুলাই মাসে শুধু টিকেট কেনার জন্যই ২৭ হাজার ডলার খরচ করেছেন তিনি।
হুয়াং ওয়ানশেং রেকর্ডিংয়ে বলেছেন যে সিপিসি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত বর্তমান শূন্য কোভিড নীতির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল গণ পিসিআর পরীক্ষা, গণ টিকাকরণ এবং ভ্যাকসিন গবেষণা থেকে প্রচুর মুনাফা করা। করোনার মধ্যেই কোম্পানি শুধুমাত্র নিউক্লিক অ্যাসিড পরীক্ষার মাধ্যমে ৬৭০ বিলিয়ন ইউয়ান উপার্জন করেছে।
এদিকে শূন্য করোনানীতি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে চীন অনেক ‘অমানবিক’ ঘটনা ঘটিয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শানজি প্রদেশের শহর জিয়ানে লকডাউন চলছে। এ পরিস্থিতিতে বুকে ব্যথা নিয়ে এক ব্যক্তি হাসপাতালে এলে তাঁকে ভর্তি করাননি ওই হাসপাতালের কর্মীরা। পরে চিকিৎসা না পেয়ে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী চিকিৎসা নিতে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সে সময় তার রক্তপাত শুরু হয়। অথচ হাসপাতালের কর্মীরা তাকে সেবা না দিয়ে জানিয়েছিলেন, তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট ঠিক নয়। পরে ওই নারীর গর্ভপাত হয়।