সরকারের সবুজসংকেত পেয়ে বিপিএলের শেষ চারটি ম্যাচে সীমিতসংখ্যক দর্শক গ্যালারিতে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল বিসিবি। করোনার কারণে সরকারের নির্দেশিত বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে আগামীকাল। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ওয়ানডে সিরিজ। সরকারের বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় আফগানদের বিরুদ্ধে টাইগারদের হোম সিরিজে গ্যালারিতে থাকবে দর্শক। মাঠে থেকে খেলা উপভোগের সুযোগ পাবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
ধারণক্ষমতার অর্ধেক আসনে টিকিট বিক্রি করতে চায় বিসিবি। এত বেশিসংখ্যক দর্শকের জন্য সরকারের অনুমতি না পেলেও অন্তত চট্টগ্রামে ৪ হাজার, মিরপুরে ৬ হাজার টিকিট বিক্রি করবে বিসিবি। এদিকে জটিলতার অবসান হওয়ায় এই সিরিজে পূর্ণাঙ্গ ডিআরএসই (ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম) থাকবে। গতকাল এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটু।
আন্তর্জাতিক এ সিরিজে দর্শক থাকছে কি না, জানতে চাইলে গতাকল বিসিবির এ পরিচালক বলেছেন, ‘বিপিএলে যেমন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৪ হাজার দর্শক প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজে আমরা চাচ্ছি দর্শক থাকুক এবং সেটা ৫০ ভাগ। ধারণা করা যাচ্ছে, চট্টগ্রামে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ হাজার ও ঢাকায় ৫ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি সরকারের কাছে থেকে ৫০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি আনার।’ তবে প্রতিটি গ্যালারিতে নিচের অংশ ফাঁকা থাকবে। এবং দর্শকদের স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়েছে বিসিবি।
অনেক চেষ্টার পরও বিপিএলে ডিআরএস চালু করতে পারেনি বিসিবি। যন্ত্রপাতি চলে এলেও টেকনিশিয়ানরা বিপিএলের সময় ঢাকায় আসতে পারেননি। তবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের আগে ডিআরএসের টেকনিশিয়ানরা চলে এসেছেন ঢাকায়। তাই এই সিরিজে পূর্ণাঙ্গ ডিআরএসই থাকবে।
গতকাল তানভীর আহমেদ টিটু বলেছেন, ‘বিপিএল চলাকালীন ডিআরএস এর যন্ত্রপাতি ঢাকায় চলে এসেছে। যারা এটা পরিচালনা করবেন সেই টেকনিক্যাল পারসনরাও চলে এসেছেন। আশা করছি, বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজে আমরা শতভাগ ডিআরএস ব্যবহার করতে পারব।’