দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ আগে থেকেই চীনের কাছে ব্যাপকভাবে ঋণী। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য অর্জনের লক্ষ্যে মালদ্বীপে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে চীন। খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএনআই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকদিন পরই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মালদ্বীপে পৌঁছেছেন। যা ইঙ্গিত দেয় যে, চীন ইয়ামিনের পেছনে তাদের রাজনৈতিক নির্ভরতা রাখার পরিকল্পনা করছে। আবদুল্লাহ ইয়ামিন ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চীনকে মালদ্বীপের গভীরে প্রবেশের সুবিধা দিয়েছিল।
মালদ্বীপ ভয়েসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখন ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইসলামপন্থিদের প্রভাব কমাতে চীন বহুমুখী পন্থা অবলম্বন করছে। ইসলামপন্থী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক এজেন্ডার সাহায্যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে একটি প্রচারণা জোরদার করবে তারা।
দ্বিতীয়ত, প্রগ্রেসিভ পার্টি অফ মালদ্বীপ (পিপিএম) এবং পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস (পিএনসি) এর মতো রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করছে চীন। এর মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের জন্য একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করবে।
মোটকথা, চীন মালদ্বীপবাসীদের বোঝাতে তার উন্নয়নমূলক এজেন্ডাও খেলবে। এটা বুঝাবে যে, চীন তাদের স্বার্থেরও যত্ন নেয়। ওয়াং ই তার সফরের সময় মালদ্বীপের প্রতিপক্ষ আবদুল্লাহ শহীদের সঙ্গে যে পাঁচটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন তার দ্বারা ন্যায়সঙ্গত।