যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে এ দিবস পালন করা হয়।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে টানা ষষ্ঠবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের এ আয়োজনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। এবারও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বে ইভেন্টটির আয়োজন করে এলসালভাদর, নাইজেরিয়া, পর্তুগাল ও শ্লোভাকিয়া মিশন। এতে সহ-অংশীদারিত্ব করে জাতিসংঘ সচিবালয় ও ইউনেস্কো।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিশেষ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি। এছাড়া অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে শুভেচ্ছাবাণী প্রদান করেন ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়র।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন। দিবসটি পালন উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, প্রভাতফেরী, ভাষা আন্দোলনে নিহত বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, দূতাবাস প্রাঙ্গণে নির্মিত একুশের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ দূতাবাসের ‘বঙ্গবন্ধু হল’ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সীমিত পরিসরে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ ও নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে দূতাবাসের অভ্যন্তরে মহান একুশ উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
মহান একুশের অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে লন্ডন হাই কমিশনে ‘মহান শহিদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম সকালে দূতাবাসে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে এই মহান দিবস পালনের সূচনা করেন।
ইতালির মিলানে লোম্বার্দিয়া আওয়ামী লীগ শাখার আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে মিল রেখে স্থানীয় সময় রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় মিলান সেন্ট্রাল স্টেশন সংলগ্ন চত্বরে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
যথাযথ মর্যাদায় কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ সময় কাতারে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষকগণ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের অভিবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইরাকের পালন করা হলো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাগদাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রভাতফেরীতে অংশ নিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত শহিদ মিনারে রাষ্ট্রদূত মো. ফজলুল বারীর নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও তাদের পরিবারবর্গ, ইরাকস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
কলম্বোর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা চত্বরে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসা, শিক্ষামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ, রাষ্ট্রদূতবৃন্দ ও শ্রীলংকার বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় তিনশতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে বহুভাষাভাষী বর্ণাঢ্য এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে কলম্বোস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। শ্রীলংকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ উদযাপনে হাইকমিশনের সহযোগী ছিল জাতিসংঘের স্থানীয় দফতরসমূহ ও শ্রীলংকা স্কাউটস অ্যাসোসিয়েশন।
অস্ট্রেলিয়ায় বহু ভাষা-ভাষীদের অংশগ্রহণে যথাযথ মর্যাদা ও ভাব গাম্ভীর্য পরিবেশে পালিত হলো শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।দেশটির রাজধানী ক্যানবেরায় প্রভাতফেরীসহ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এসব আয়োজনে ক্যানবেরার মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত-কূটনৈতিকসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে স্টকহোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশটির রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময়ে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিকালে একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য নিয়ে এক মুক্ত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জার্মান আওয়ামী লীগের সম্মলেন প্রস্তুতি কমিটির আয়োজনে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জার্মান আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান মাবু জাফর স্বপন সঞ্চালনা করেন জার্মান আওয়ামী লীগের নেতা মোবারক আলী ভূঁইয়া বকুল ও নজরুল ইসলাম খালেদ।
আলোচনায় বক্তারা ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাস ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠানের শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে। এ সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবু জাফরসহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দরা।
দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর (স্থানীয়) লুৎফর নাহার নাজিমের পরিচালনায় ও আইনবিষয়ক কর্মকর্তা মুহাম্মদ রেজাউল আলমের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশেষ আলোচনা সভা। সভার শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন উপ-মিশন প্রধান মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লেবার কাউন্সিলর মুহাম্মদ আবদুল আলিম মিয়া, প্রথম সচিব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও তৃতীয় সচিব এসএম মাযাহারুল ইসলাম।
অন্যদিকে চীনের কুনমিং-এ যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সাথে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। আজ সোমবার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং-এর আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়। কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরসহ জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন।
ভাষাশহীদদের স্মরণে জাপানের টোকিওতে সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাসের অস্থায়ী শহীদ মিনার বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীত বাজানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। এরপর ভাষাশহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন উপস্থিত সবাই।
বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভির পরিবেশে জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ভাষা শহিদদের স্মরণে দূতাবাসের অস্থায়ী শহিদ মিনার বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সকালে অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা- কর্মচারী পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর সাথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন রাষ্ট্রদূত। অতঃপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা, যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদা এবং বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত হল মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২। বাংলাদেশ হাইকমিশন, সিঙ্গাপুরের প্রয়াসে এবং প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সিঙ্গাপুরস্থ বিভিন্ন মিশনের অংশগ্রহণে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মকান্ডে দিবসটি আয়োজিত হয়। পূর্বাহ্নে জাতীয় সংগীত পরিবেশনা ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রমের সূচনা করেন হাইকমিশনার জনাব মো. তৌহিদুল ইসলাম, এনডিসি। অতঃপর ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাইকমিশনের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশ হাইকমিশন, দেশীয় ব্যাংকিং হাউজসমূহ, বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ।
কলম্বোস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ সকালে কলম্বোর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা চত্বরে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসা, শিক্ষামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ, রাষ্ট্রদূতবৃন্দ ও শ্রীলংকার বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে বহুভাষাভাষী বর্ণাঢ্য এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালন করেছে। শ্রীলংকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ উদযাপনে হাইকমিশনের সহযোগী ছিল জাতিসঙ্গের স্থানীয় দপ্তরসূহ ও শ্রীলংকা স্কাউটস এসোসিয়েশন। হাইকমিশনার তারেক মো: আরিফুল ইসলাম, তাঁর সূচনা বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী দীনেশ গুনাবর্ধনে ও বাণিজ্য মন্ত্রী বান্দুলা গুনাবর্ধনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে শ্রীলঙ্কা সরকারকে সম্পৃক্ত করে সৃষ্টিশীল অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ হাই কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। তারা মাতৃভাষা পরিচর্যার জন্য শ্রীলংকা সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে আলোকপাত করেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২২ বাংলাদেশ দূতাবাস, হ্যানয়, ভিয়েতনামে যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত কর্তৃক জাতীয় সংগীত সহকারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণ, ১ মিনিট নিরবতা পালন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ সকালে জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন। ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং ভিয়েতনামের নাগরিক ও দূতাবাসের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ ও তাদের পরিবারবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।