বাংলাদেশ দল সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিল গত বছর জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে। ওই সফরের শেষ ম্যাচটা তামিম ইকবালের জন্য বেশ স্মরণীয় বটে। সাত মাস আগের ম্যাচটাতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি করেছিলেন বাঁহাতি এ ওপেনার। জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ।
সাত মাস পর আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রিয় ফরম্যাট ওয়ানডেতে ফিরছে টাইগাররা। চট্টগ্রামে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তন হচ্ছে তামিমেরও। একই বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। গত বছর জিম্বাবুয়ে সফর থেকে হাঁটুর ইনজুরি নিয়ে ফিরেছিলেন তিনি। তামিমের ক্যারিয়ারে কখনোই এত বড় বিরতি পড়েনি।
পরে হোমে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ খেলেননি এই ইনজুরির কারণে। অক্টোবর-নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন তামিম। আঙুলের ইনজুরিতে বছরের শেষ দিকে পাকিস্তান সিরিজ ও চলতি বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ড সফর মিস করেছেন তিনি।
তবে একটা সুখস্মৃতি নিয়েই আজ ফিরছেন তামিম। শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেঞ্চুরি ছাড়ানো ১১২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। প্রত্যাবর্তনের রোমাঞ্চও ধরা পড়েছে তামিমের কণ্ঠে। গতকাল মঙ্গলবার সাগরিকায় ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘গত জুলাইয়ে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলাম। ৬-৭ মাস পর এসেছি, সবাই রোমাঞ্চিত। দ্বিধাহীনভাবে এটা আমাদের প্রিয় ফরম্যাট। এ বছর বেশ কয়েকটা ওয়ানডে আছে। গত বছর এভাবে ছিল না। কালকের (আজ) জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করছি, ভালো শুরু পাবো।’
আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে সিরিজ শুরু করাই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত মনে করেন তামিম। তিনি বলেছেন, ‘ওদের সঙ্গে ওয়ানডে দিয়ে শুরু করাটা সঠিক সিদ্ধান্ত। ওয়ানডেতে অবশ্যই আমরা ভালো দল। ছন্দে ফেরাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবাই খেলার মধ্যে আছে, এটা ইতিবাচক। দল হিসেবে ভালো করতে হবে।’
গুরুত্বপূর্ণ এ সিরিজে পূর্ণ শক্তির দল পেয়ে খুশি তামিম। সিনিয়রদের মধ্যে সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, মুস্তাফিজরা আছেন দলে। যা আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে অধিনায়ককে। তিনি বলেছেন, ‘ইনজুরি বলুন বা ছুটির কারণে আমরা পুরো দল খেলতে পারিনি। এটা সৌভাগ্য যে এই সিরিজে পুরো দল পাবো। অধিনায়ক হিসেবে এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না। সবাই ভালো অবস্থায় আছে; মানসিক দিক বা পারফরম্যান্সের দিক থেকে।’
সাগরিকা বরাবরই বাংলাদেশের জন্য পয়মন্ত ভেন্যু। আজ এক বছর পর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেও ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বলে রাখা ভালো, এ মাঠে ২০১৬ সালের পর কোনো ওয়ানডে হারেনি বাংলাদেশ।