গঙ্গাচড়ায় তিস্তার বালুচরে মিষ্টি কুমড়া চাষ

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার বালুচরে মিষ্টি কুমড়া চাষ হচ্ছে। আর কুমড়া চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক কৃষক। চিকচিক বালুতে লিক লিক করে বেড়ে উঠছে কুমড়া গাছের ডগাগুলো ফুলে ফলে ছেয়ে গেছে।

সরেজমিনে তিস্তার ছালাপাক চর, রাজবল্লব, ধামুর, মহিপুর, শংকরদহ, কোলকোন্দ চরসহ বিভিন্ন চরে দেখা গেছে, ওপর থেকে তিন থেকে চার ফুট গভীরে গর্ত খুঁড়ে কুমড়ার বীজ রোপণ করা হয়েছে। ডালপালায় ছেয়ে গেছে খেত। লিক লিক করে বেড়ে উঠছে কুমড়ার ডগাগুলো। কুমড়া বিক্রিও হচ্ছে। 

উপজেলার ধামুর এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান এ বছর চরে পাঁচ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। এর আগেও তিনি কুমড়া চাষ করেছেন। লাভও পেয়েছেন। তাই এ বছর কুমড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। শুকিয়ে যাওয়া তিস্তার চর কুমড়া খেতে ফুল ফলে ভরে গেছে। আর কদিন পরেই তিনি কুমড়া ঘরে তুলবেন। আশা করছেন, এ বছরও কুমড়ার ফলন ভালো হবে। 

কৃষকরা জানান, এ বছর বন্যায় প্রথম ধাপের কুমড়া চারা নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে নতুন করে আবার বীজ রোপণ করেন। এতে তাদের অতিরিক্ত খরচ হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার চরে এখন অনেক ফসলই আবাদ হচ্ছে। চরাঞ্চলে কোনো জমিই এখন আর পতিত থাকে না।