সেই ১৯৫৪ সাল থেকেই ২১শে ফেব্রুয়ারির ঊষালগ্নেই যে নামটি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে, সেটি গাফ্ফার ভাইয়ের লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’। সেই গান দিয়েই শুরু হয় ভাষাশহিদদের দিনটি। শুধু এপার বাংলায় নয়, ওপার বাংলাসহ অন্যান্য দেশেও। বাঙালিরাই ভাষার স্বীকৃতির জন্য রক্ত দেওয়ার একমাত্র জনগোষ্ঠী। এর বাইরে কোনো জাতিই ভাষার জন্য শহিদ হয়নি। আর সেই ঘটনাকে চিরঞ্জীব স্মৃতি হিসেবে গাফ্ফার ভাই রচিত সেই অমর গান বিশেষ ভূমিকায় থাকবে।
আপাতদৃষ্টিতে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় থেকে বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পরিলক্ষিত হলেও অতীত ইতিহাস বিবেচনায় দেখা যায় যে, ১৬০০ খ্িরষ্টাব্দেও বাংলা ভাষার ওপর আক্রমণ হয়েছিল, যার প্রমাণ আমরা সেই যুগের বিখ্যাত বাঙালি কবি আব্দুল হাকিমের কবিতা থেকে পাই। সন্দীপে জন্ম নেওয়া মধ্য যুগের কবি আব্দুল হাকিম সেই বঙ্গের সুলতান শাসনামলেই তার ‘বঙ্গবাণী’ কবিতায় ১৬৫০ সালে লিখেছিলেন,
‘যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী,/ সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। / দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুড়ায়, / নিজ দেশে তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়? / মাতা পিতাসহ ক্রমে বঙ্গেত বসতি। / দেশী ভাষা উপদেশ মনে হিত অতি।’
কবিতাটি তার গ্রম্হ ‘নূর নামায়’ প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময়েই লাখ লাখ হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বাঙালি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তার কবিতা থেকে মনে করা যায় যে, সে সময় ধর্মান্তরিত কিছু লোক বাংলা ভাষার প্রতি অনীহা প্রকাশ করতেন, বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করতেন, আর তারই প্রতিবাদে কবি আব্দুল হাকিমের সেই লেখনী। ১৬১০ সালে জন্ম নেওয়া এই কবির পূর্বপুরুষেরা সম্ভবত দুই বা তিন প্রজন্ম আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তার বঙ্গবাণী কবিতার আলোকে নিশ্চিত করে বলা যায়, তিনিই বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রথম তাত্ত্বিক গুরু। কবি আব্দুল হাকিমও বহু ভাষা জানা পণ্ডিত ছিলেন, বহু ফার্সি কাব্যগ্রম্হ ও উপন্যাস তিনি বাংলায় তরজমা করেছিলেন। এরপর বহু শতাব্দী পার হয়ে গেছে। এই সময়ের মধ্যে বাংলা ভাষার অনেক উত্থান ও পতনের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের যবনিকাপাত ঘটার সময় ১৯৪৭ সালে আবার বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে নতুন আক্রমণ শুরু করে দ্বিজাতিতত্ত্বের সমর্থকেরা। তারা বলতে শুরু করে, বাংলা ভাষা মুসলমানদের ভাষা নয়, তাই উদুর্ই হবে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।
সে সময় বহু ভাষায় পারদর্শী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ দাবি করেন, যেহেতু বাংলা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু লোকের ভাষা, তাই বাংলাই হওয়া উচিত পাকিস্তানের এক নম্বর রাষ্ট্রভাষা। তার যুক্তির পক্ষে তখন অবস্হান নিয়েছিলেন কামরুদ্দিন, মুনীর চৌধুরী প্রমুখ মনীষীগণ। সে সময় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ভূমিকাও ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ভারত বিভাগের পর তিনি স্বেচ্ছায়ই থেকে গিয়েছিলেন সেই সময়ের পূর্ব বাংলায়। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের বড়লাট মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ যখন বলেছিলেন, উদুর্ই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, তখন গণপরিষদে প্রকাশ্যে তার প্রতিবাদ করেছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, যার জন্য তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন। এরপর বাংলা ভাষার পক্ষের আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন তরুণ রাজনীতিক শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন বাঙালি, ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক গভীর অনুরাগী, ছিলেন রবীন্দ্র-নজরুল-জীবনানন্দ-শরত্ চন্দ্রের ভক্ত। অথচ একটি কুচক্রী মহল, যারা বরং বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদবিরোধী, তারা ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা জেনেশুনেই অপ্রকাশিত রাখার চেষ্টায় লিপ্ত। কিন্তু ঐতিহাসিক সত্যকে তো ঢেকে রাখা যায় না। জেলখানায় থেকেই তিনি যে ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তার পক্ষে ভূরি ভূরি প্রমাণ ও তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। জীবদ্দশায় প্রখ্যাত ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট গাজিউল হক সাহেব আমাদের বলেছিলেন, তিনি এবং অন্য ভাষাসৈনিকেরা বাংলা ভাষা আন্দোলনের ব্যাপারে কারারুদ্ধ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশ অনুসরণ করতেন।
উল্লেখযোগ্য অন্যান্য ভাষাসৈনিকের মধ্যে ছিলেন হাবিবুর রহমান শেলী, শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ, এম আর আকতার মুকুল, জিল্লুর রহমান, আব্দুস সামাদ আজাদ, মোস্তাফা নূর ইসলাম, রওশন আরা বাচ্চু, আব্দুল মতিন, গাজিউল হক, শওকত আলি, সিরাজুল ইসলাম, কাজী গোলাম মাহবুব, আব্দুল ওয়াহেদ, আব্দুল মালেক উকিল, শামসুল হক, মোহাম্মদ সুলতান, ফকির শাহাবুদ্দিন, আব্দুল মোমিন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (পদ্মবিভূষণ, দেশিকোত্তম), আহম্মদ রফিক, হাসান হাফিজুর রহমান, কবি শামসুর রাহমান, সফিউর রহমান, বাহাউদ্দিন চৌধুরী, ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহম্মেদ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান (সেন্টু), সাদেক খান, কাজী মোতাহার হোসেন, আলাউদ্দিন আহম্মেদ, শওকত ওসমান, গোলাম মাওলা, কলিম শরাফী, আলতাফ মাহমুদ, সাফিয়া খাতুন, মতুর্জা বশির, সুফিয়া আহমেদ, মোকাম্মেল আহমেদ, আবুল কালাম শামসুদ্দিন, পিয়ারু সর্দার, আনোয়ারুল হক খান, সৈয়দ কামরুদ্দিন হোসেন শহুদ, নাফিসা কবিরসহ আরো অনেকে, যাদের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। এদের অনেকেই এখন প্রয়াত।
এখন আসা যাক, গাফ্ফার ভাইয়ের কবিতায়। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে সংকলনে’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সময়ের সরকার প্রকাশনাটি বাজেয়াপ্ত করেছিল। তখন যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক গাফ্ফার ভাইয়ের লেখা কবিতাটি আব্দুল লতিফকে দিলে তিনি প্রথম সুর দিয়ে এটিকে সংগীতে রূপান্তরিত করেন। পরবর্তীকালে সেই সময়ের নামকরা সুরকার এবং পরবর্তী সময়ে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ গানটিতে নতুন করে সুরারোপ করেন, যে সুরেই এখন গানটি গাওয়া হয়। প্রতি বছর প্রভাতফেরিতেই এই গান গাওয়া হয়, গাওয়া হয় ২১শে ফেব্রুয়ারির সব অনুষ্ঠানে। বিবিসি বাংলা বিভাগের শ্রোতাগণ এই গানকে তৃতীয় শ্রেষ্ঠ বাংলা গান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে এই গান তাত্পর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তার আগে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষেও এই গানের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। কবিতাটি তিনি লিখেছিলেন ১৯৫২ সালের ঠিক ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখেই, শহিদ রফিকের মৃতদেহ দেখার পর। তখন তিনি আইএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। নিশ্চিত করে বলা যায়, গানটি অনাদিকাল গাওয়া হবে, পৃথিবীতে শেষ সূর্যোদয়ের দিনটি পর্যন্ত। সেই সঙ্গে বেঁচে থাকবে গাফ্ফার ভাইয়ের স্মৃতি, একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে।
এ বছর ২১-এর জন্য এই লেখনীর উদ্দেশ্য, গাফফার ভাই আজ দুরারোগ্য ব্যাধিতে শঘ্যাশায়ী। তিনি উঠে দাঁড়াতে পারেন না, হাঁটা তো দূরের কথা। তার দুটি বৃক্বই (কিডনি) বিকল হয়ে গেছে, যা আর নিরাময়যোগ্য নয়। ডাক্তারগণ বলেছেন, ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্হাপন কোনোটিই সম্ভব নয়। তাকে প্রতিদিন ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে আর এই ইনজেকশনই তাকে যত দিন বাঁচিয়ে রাখে। এই মারাত্মক রোগ নিয়েও তিনি প্রতিদিনই ঢাকার বিভিন্ন পত্রিকার জন্য লিখে যাচ্ছেন বিছানায় শুয়ে থেকেই। তার লেখা সেই আগের মতোই ক্ষুরধার, যেখানে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরোধিতা অনেক ক্ষেত্রে আগের চেয়েও প্রখর। সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীদের উত্থানে তার শঙ্কা প্রকাশ করছেন সব লেখায়। সম্প্রতি কলকাতার ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ও তার একটি লেখা ছাপিয়েছে। তিনি প্রতিনিয়ত ঢাকায় আমার সঙ্গে, সাংবাদিক স্বদেশ রায়, পীযূষ বন্দ্যােপাধ্যায়, মোনায়েম সরকার, সৈয়দ হাসান ইমাম, প্রাক্তন কূটনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্নাসহ অন্যান্য প্রিয়জনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তার নিজের স্বাস্হে্যর চেয়ে দেশে অপশক্তির উত্থান নিয়েই আলাপকালে অধিক শঙ্কা প্রকাশ করে থাকেন। নিজের স্বাস্হ্য নিয়ে না যত চিন্িতত, তার চেয়ে অনেক বেশি চিন্িতত দেশের ভবিষ্যত্ নিয়ে। তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, ধর্মান্ধ অপশক্তির পরাজয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। অনেক সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করলেও তিনি সব সময়ই বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও উন্নয়নের জোয়ার বাঁচিয়ে রাখার জন্য শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সেই হত্যার প্রতিবাদে সারা বিশ্বে গাফ্ফার ভাই-ই ‘বাংলার ডাক’ নামে প্রথম পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন লন্ডন থেকে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পেছনের মূল ক্রীড়নক যে জিয়াউর রহমান এবং খোন্দকার মোশতাক, সে কথা গাফ্ফার ভাই-ই তার পত্রিকায় প্রথম উল্লেখ করেছিলেন। তাকে সহযোগিতা করতেন এম আর আক্তার মুকুল এবং বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু গবেষক প্রয়াত আব্দুল মতিন। আমার এবং বিশেষ করে আমার প্রয়াত স্ত্রী লায়লা চৌধুরী হাসিরও ভূমিকা ছিল, যে কথা গাফ্ফার ভাই সব সময়ে প্রকাশ্যেই উল্লেখ করেন। সে সময় বাংলা টাইপের একমাত্র যন্ত্র ছিল ‘মুনির অপটিমা’ নামক প্রাচীন টাইপ মেশিন। আমার স্ত্রী বিবিসি বাংলা বিভাগে চাকরিরত অবস্হায় ‘মুনির অপটিমা’ বাংলা টাইপে পারদর্শিতা অর্জন করায় গাফ্ফার ভাইয়ের ‘বাংলার ডাক’ পত্রিকাটি টাইপ করতে পারত। আমার স্ত্রীর লেখা একটি বইয়ে গাফ্ফার ভাই মুখবন্ধ লিখেছিলেন। গাফ্ফার ভাইয়ের সেই সময়োচিত প্রয়াসে আমি ও আমার স্ত্রী সামান্য অবদান রাখতে পেরেছিলাম বলে আমি গর্বিত। তখন এই পত্রিকার প্রকাশনা ছিল অপরিহার্য। বর্তমানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলিরও অবদান ছিল।
বিশেষ করে ধর্মীয় মৌলবাদী এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীদের আস্ফালনের সময় গাফ্ফার ভাইয়ের লেখার যে বিকল্প নেই, সে সম্পর্কে সেই চেতনার পক্ষের শক্তির, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী সবাই একমত। তাকে গোটা জাতির বিবেক হিসেবে ব্যক্ত করা ভুল হবে না। তিনি আরো বহু বছর জীবিত থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে, বাঙালি জাতীয়তার সমর্থনে, ধর্মান্ধ শক্তির বিরুদ্ধে লিখে যাবেন, সেটিই আমাদের প্রার্থনা। গাফ্ফার ভাই আমার দুই মেয়েকেই খুব স্নেহ করেন। আমার ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী সম্প্রতি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (সেন্টু) সাহেবের দৌহিত্রে্যর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে শুনে গাফ্ফার ভাই খুবই খুশি হয়ে বলেছিলেন, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ছিলেন এক মহান ব্যক্তিত্ব, নীতি ও আদর্শবান, একজন সত্যিকার অর্থে ভদ্রলোক। আরো বলেছিলেন, ওবায়দুল্লাহ সাহেবের প্রশংসায় কিছু ঘটনার উল্লেখ করে তিনি শিগ্গিরই কিছু লিখবেন। গত দুই দিন আগে তিনি আমাকে বলেছিলেন, দেশে আসার জন্য তার মন কাঁদছে। একটু হাঁটতে পারলেই তিনি দেশে আসবেন। সে কথা শুনে আমার চোখে পানি গড়িয়েছিল। এই মুহূর্তে তার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করাই আমাদের কাম্য। এ কথা মানতেই হবে, তিনি জাতির বিবেক এবং তার মতো সাহসী, বস্ত্তনিষ্ঠ, চেতনাবিদ ও আপসহীন লেখকের বিকল্প আজও যেমন নেই, অদূর ভবিষ্যতে গড়ে উঠবে কি না, তা-ও সন্দেহ। জয়তু গাফ্ফার ভাই।
লেখক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি