ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে কার্ফু জারি করা হয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কারণে কিয়েভের মেয়র এই কার্ফুর ঘোষণা দেন।
এদিকে রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দখলের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ নিয়ে এই অঞ্চলে রুশ বাহিনী ও ইউক্রেনের সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছে।
টুইটে জেলেনস্কি বলেন, 'রাশিয়ার দখলদার বাহিনী চেরনোবিল দখল নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের 'সেনারা' তাদের জীবন উৎসর্গ করছেন যাতে ১৯৮৬ সালের ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি না হয়।'
তিনি আরও বলেন, এটি সমগ্র ইউরোপের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।
এছাড়া ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলেনস্কির সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করেছে। দেশটির ওই মন্ত্রণালয় টুইটে বলে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ 'আরও একটি পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটাতে পারে'।
টুইটে আরও বলা হয়েছে, '১৯৮৬ সালে বিশ্ব চেরনোবিলে সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত বিপর্যয় দেখেছিল। রাশিয়া যুদ্ধ চালিয়ে গেলে, ২০২২ সালে চেরনোবিল আবার ঘটতে পারে।'
১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউক্রেনের চেরনোবিল শহরে ঘটেছিল পারমাণবিক দুর্ঘটনা। ওই দুর্ঘটনায় ৩১ জনের প্রাণহানি হলেও পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুতর পারমাণবিক দুর্ঘটনা বলা হয়। ওই দুর্ঘটনায় তেজস্ক্রিয়তার শিকার হয় লাখো মানুষ।