জেতার জন্য আফগানিস্তানের সামনে পাহাড়সম টার্গেট। সেটি তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ৯ রান তুলে নেন দলটির দুই ওপেনার রহমত শাহ ও রিয়াজ হাসান। এর পরই মুস্তাফিজকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
তার এ সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা এর পরের ওভারগুলোতেই প্রমাণিত হয়। তরুণ পেসার শরিফুল ইসলাম নিজের প্রথম ওভার করতে এসে মাত্র এক রান খরচ করেছেন। এই ওভারেই রানআউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান রিয়াজ হাসান। দুর্দান্ত এক থ্রোতে তাকে আউট করেন আফিফ হোসেন। তৃতীয় ওভার করতে এসে কোনো রানই দেননি তাসকিন আহমেদ। এই পেসারের বলগুলো যেন বুঝতেই পারছিল না আফগান ব্যাটাররা।
এর পরের ওভার করতে এসে আবারও শরিফুলের আঘাত। পঞ্চম বলে কটবিহাইন্ডের শিকার হন অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শাহিদি। এই ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়েছেন শরিফুল। দলীয় দশম ও নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে আফগান শিবিরে আঘাত হেনেছেন সাকিব আল হাসান। তার ডেলিভারিটি বুঝতেই পারেননি আজমতুল্লাহ উমরজাই। ওই ওভারের প্রথম বলটি সামনে এগিয়ে মারতে গিয়ে মিস করেছেন আফগান ব্যাটার। আর সেটি মুহূর্তেই ধরে স্ট্যাম্পে লাগিয়ে দেন উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা মুশফিকুর রহিম। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আফগানদের সংগ্রহ ১০.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৭ রান।