দুধ বাজারজাতকরণ নিয়ে বিপাকে খামারিরা

রাণীনগরে দুধ বিক্রিতে স্থানীয়ভাবে কোনো বাজার গড়ে না ওঠায় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না খামারিরা। ফলে দুগ্ধজাত গরু পালন করে লোকসানের কবলে পড়ে অনেকেই খামার ছেড়ে দিচ্ছেন। তাই উদ্যোক্তা ধরে রাখতে এবং খামারিদের লোকসানের কবল থেকে রক্ষা করতে স্থানীয়ভাবে দুধের বাজার গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন খামারিরা। 

উপজেলার রঞ্জনিয়া গ্রামের একটি ডেইরি ফার্মের মালিক আতোয়ার রহমান জানান, তার আটটি গরু থেকে প্রতিদিন শতাধিক লিটার দুধ উৎপাদন হয়। প্রতি লিটার দুধ ৩৫ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা লিটার বিক্রি করতে হচ্ছে। 

মালশন গ্রামের খামারি আব্দুল মান্নান জানান, তার খামারে প্রায় ৪০টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে দুধ উৎপাদনে গরু রয়েছে সাতটি। দুধের বাজার না থাকায় ৪০ টাকা লিটার দরে ঘোষের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা কামরুন্নাহার আকতার বলেন, দেশের অন্য উপজেলায় নির্দিষ্ট বাজার রয়েছে যেখানে খামারিরা প্রতিদিন দুধ নিয়ে বিক্রি করেন। কিন্তু এ উপজেলায় এরকম কোনো বাজার নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত নির্দিষ্ট বাজার গড়ে তুলতে চেষ্টা করব। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাব।