তবু তিন ফরম্যাটের চুক্তিতে সাকিব

চলতি বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডে দুই টেস্ট খেলেননি সাকিব আল হাসান। খেলবেন না দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দুই টেস্টও। লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে সাকিব অনিয়মিত মুখই বটে। কদিন আগেই বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনই বলেছেন, খেলবে না তবে বেতন নেবে কেন?

অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর গত বুধবার সাকিবকে ৫৩ দিনের ছুটিও দিয়েছে বিসিবি। কিন্তু বোর্ড কর্তাদের মন উচাটানের বরফ হয়তো গলে গেছে। টেস্ট খেলতে অনীহা জানানো সাকিবকে নিয়েই গতকাল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা ঘোষণা করেছে বিসিবি। ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তির তালিকায় তিন ফরম্যাটেই আছেন সাকিব। যেখানে তার সঙ্গী আরো চার ক্রিকেটার। তারা হলেন, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম।

চুক্তিতে ঠাঁই পেয়েছেন ২১ ক্রিকেটার। নতুন মুখ ইয়াসির আলী রাব্বি ও মাহমুদুল হাসান জয়। গত বছর চুক্তি তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন পাঁচ ক্রিকেটার। তারা হলেন :সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, আবু জায়েদ রাহী ও শামীম পাটোয়ারি।

জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছুটি পাওয়া সাকিব নাকি বছরের বাকি সময়ে সব টেস্ট খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিসিবিকে। এদিকে বিসিবির ছুটির (৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি) কারণে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পাবে না এ অলরাউন্ডারকে। যে কোনোভাবে অন্তত সুপার লিগে তাকে পেতে উন্মুখ মোহামেডান। এজন্য বিসিবির কাছে আবেদন করবে ক্লাবটি।

গতকাল মোহামেডানের ক্রিকেট কমিটির কর্মকর্তা এ জি এম সাব্বির গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কীভাবে আমরা সাকিবকে এই মৌসুমে কিছু ম্যাচের জন্য হলেও পেতে পারি সেটার জন্য বোর্ডের সঙ্গে কথা বলব। সাকিব যখন ক্রিকেটে ফিরবে তখন ওরও কিছু ম্যাচ দরকার। আমরা বোর্ডকে সেই প্রস্তাব দেব, বোর্ড যদি বিবেচনা করে।’ মোহামেডানের আবেদন বোর্ড মঞ্জুর করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।