নারী সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। চার বছর পর ভারতে চলতি মাসে বসতে যাচ্ছে টুর্নামেন্টটির দ্বিতীয় আসরে। আগামীকালই ভারতের জামশেদপুরে পা রাখবে বাংলাদেশ।
তার আগে গতকাল (১০ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার আশা শুনিয়ে যান অধিনায়ক শামসুন্নাহার ও কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। তিন দলের টুর্নামেন্টটি শুরু হবে ১৫ মার্চ। একে অপরের বিপক্ষে দুইবার করে খেলবে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল। পয়েন্ট টেবিলের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবে চ্যাম্পিয়ন, থাকবে না কোনো নকআউট পর্ব। প্রতিটি ম্যাচই হবে জেআরডি টাটা কমপ্লেক্সে।
গত ডিসেম্বরে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন শামসুন্নাহার। এবার অনূর্ধ্ব-১৮ দলের অধিনায়ক তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘তিনটা দলই শক্তিশালী, আমরাও শক্তিশালী। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে। আশা করি, শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরতে পারবো।’
টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে দুই মাস ধরে প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ। তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে। বিকেএসপিকে প্রথম ম্যাচে ৫-১ গোলে ও দ্বিতীয় ম্যাচে হারায় ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে। কিন্তু জাতীয় দলের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে যায় ৩-১ গোলে।
বাংলাদেশ দল: শামসুন্নাহার (অধিনায়ক), রুপ্না চাকমা (সহ-অধিনায়ক), ইয়াসমিন আক্তার, ইতি রানী, আফিদা খন্দকার, কোহাতি কিস্কু, সোহাগি কিস্কু, ইতি খাতুন, নাসরিন আক্তার, আনিকা তানজুম, জয়নব বিবি রিতা, হালিমা আক্তার, রেহেনা আক্তার, স্বপ্না রানী, মাহফুজা খাতুন, নওশন জাহান, শাহেদা আক্তার রিপা, আকলিমা খাতুন, সুরমা জান্নাত, উন্নতি খাতুন, লুতফোরা আক্তার লিমা, নাবিরান খাতুন, রুপা।
একনজরে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো
১৭ মার্চ- প্রতিপক্ষ নেপাল
১৯ মার্চ- প্রতিপক্ষ ভারত
২৩ মার্চ- প্রতিপক্ষ নেপাল
২৫ মার্চ- প্রতিপক্ষ ভারত