ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘রহস্যজনক’ দুই মামলা

‘রহস্যজনক কারণে’ সোনালী ব্যাংকের এক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) জহিরুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে পরপর দুই দিনে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২১ সালের ২১ মে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে খিলগাঁও থানায় এক নারী মামলা দায়ের করেন। 

এই মামলা দায়েরের পরদিন গাঁজা ব্যবসার অভিযোগে মতিঝিল থানায় খোদ পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। এই মামলাটি দায়ের করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগের বিমানবন্দর জোনাল টিমের এস আই মাসুদুল ইসলাম।

এই দুই মামলার মধ্যে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই। তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান বলেন, ভিকটিমের দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। আর গাঁজা ব্যবসার মামলায় পুলিশ মামলা দায়েরের তিন মাসের মাথায় আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। এই মামলায় তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। বর্তমানে জহিরুল ইসলাম সুমন মতিঝিলে সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্য করপোরেট শাখায় এসপিও পদে কর্মরত।

এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্য করপোরেট শাখার ডিজিএম (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) কাজী মো. সানাউল্লাহ বলেন, একটা সংঘবদ্ধ চক্রের মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন এসপিও জহিরুল ইসলাম সুমন। আমি যত দূর জানি, তিনি সোনালী ব্যাংক রমনা করপোরেট শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় কর কমিশনের একটি চেক জালিয়াতি হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর থেকে ঐ চক্রটি তার পেছনে উঠে-পড়ে লাগে। চক্রটি তার বিরুদ্ধে একজন নারীকে দিয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পরে মাদক মামলা দেওয়া হয়। কিন্তু মামলাগুলো দায়ের করার পর দেখা যায়, তার বিরুদ্ধে যেসব দিনের অভিযোগ করা হয়েছে, ঐ সময় তিনি কখনো ব্যাংকের কর্মশালা অথবা বাড়িতে তার বাবার মৃত্যুর সময় অবস্থান করছিলেন।