রাসায়নিক হামলা হলে চড়া মূল্য দিতে হবে রাশিয়াকে: বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনে রাসায়নিক অস্ত্রের হামলা হলে রাশিয়াকে চড়া মূল্য দিতে হবে। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বাইডেন বলেন, আমার কাছে যে গোয়েন্দা তথ্য আছে, সে বিষয়ে কিছু বলব না। কিন্তু রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার হলে রাশিয়াকে চড়া মূল্য দিতে হবে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরো কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত বুধবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি দাবি করেন, রাশিয়া ইউক্রেনে রাসায়নিক বা জৈব অস্ত্র ব্যবহার করার প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক হতে হবে। রাসায়নিক অস্ত্রের মজুত নিয়ে কয়েক দিন ধরেই একে অন্যকে দোষারোপ করে আসছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যাপারে জেন সাকি বলেন, ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র জৈব ও রাসায়নিক অস্ত্রের ল্যাব পরিচালনা করছে বলে রাশিয়া যে দাবি করেছে তা অযৌক্তিক বরং এই মিথ্যা দাবি করে মস্কো তাদের পরবর্তী উসকানিহীন হামলার ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার ‘নিশ্চিত ষড়যন্ত্র’ করছে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছে রাশিয়া। 

তবে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক প্রতিনিধি ইজুমি নাকামিত্সু বলেন, ইউক্রেন জীবাণু অস্ত্র কর্মসূচি চালাচ্ছে বলে রাশিয়া যে অভিযোগ করেছে, তার পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি জাতিসংঘ।

এদিকে শুক্রবার এক টুইট বার্তায় বাইডেন বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে কখনোই জয়ী হবেন না। পুতিন আশা করেছিলেন, যুদ্ধ ছাড়াই তিনি ইউক্রেনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন, ইউরোপীয় ঐক্যে ফাটল ধরাবেন, ন্যাটো জোটকে দুর্বল করবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্ত করবেন, কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

অন্য এক টুইট বার্তায় বাইডেন স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, আমরা ন্যাটো অঞ্চলের প্রতি ইঞ্চি জায়গা পূর্ণ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব। কিন্তু আমরা ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না। রাশিয়া ও ন্যাটোর সরাসরি যুদ্ধ মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এ ধরনের কিছু ঠেকাতে আমাদের অবশ্যই সংগ্রাম করতে হবে।