হেলসের ‘স্বল্প’ নিষেধাজ্ঞা

স্পোর্টস রিপোর্টার

মাদক ব্যবহারের কারণে ২১ দিনের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন অ্যালেক্স হেলস। তিনি অবশ্য ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলেও আছেন। নিষেধাজ্ঞার অনেক কম সময়ের বলে বিশ্বকাপ খেলতে তার কোনো বাধা নেই।

গেল সপ্তাহেই ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে ডাক পান হেলস। যদিও, নটিংহ্যাম্পশায়ারের হয়ে এই মৌসুমটাতে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেননি। এরই মধ্যে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কাছে দ্বিতীয়বারের মত ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হয়েছেন হেলস।

সেজন্যই তাকে তিন সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যদিও, এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ইসিবির একজন মুখপাত্র অবশ্য সাজার ব্যাপারটি স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, ‘ব্যাপারটা একদমই গোপনীয়। তাই, আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাইছি না।’

আর এই কারণেই হেলসের নিষেধাজ্ঞা আসলে কবে থেকে কার্যকর হয়েছে—সেটা জানা যায়নি। এই গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ আগামী তিন মে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে হেলস তাই আদৌ খেলবেন কি না—সেই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

এর আগে ব্রিস্টলের পানশালার বাইরে বেন স্টোকসের সাথে মিলে ঝামেলায় জড়িয়ে ছয়টি সীমিত ওভারের ম্যাচে নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি। সাড়ে ১৭ হাজার পাউন্ড জরিমানাও গুনেছিলেন। তবে, সাদা বলের ক্রিকেটে তিনি ইংল্যান্ড দলের অপরিহার্য সদস্য। ছয়টি সেঞ্চুরি, ৩৭.৭৯ ব্যাটিং গড় ও প্রায় আড়াই হাজার রানকে তাই এই মুহূর্তে ছুড়ে ফেলার কথা ভাবছে না ইসিবি।

গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ক্যাম্প। সেখানে হেলসসহ প্রাথমিক দলে থাকা ১৫ জন অংশ নিয়েছেন। সাথে ছিলেন জোফরা আর্চার ও ক্রিস জর্ডানও। ২৩ মে’র মধ্যে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিকে নিজেদের চূড়ান্ত দল জানিয়ে দিতে হবে দলগুলোর।