সরকারের আয়ের বৃহত্ মাধ্যম সরকারি রাজস্ব আদায়। কোনো দেশের বাজেট প্রণয়নে রাজস্ব হলো আয়ের সর্ববৃহত্ আয়ের মাধ্যম। রাজস্ব ছাড়া বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অসম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। তার পেছনে অন্যতম কারণ রাজস্ব ফাঁকি ও দুনীর্তি। আর দুর্নীতিতে সরকারের অন্যতম কয়েকটি সেক্টরের মধ্যে বিআরটিএ একটি। প্রতিটি জেলায় বিআরটিএ কার্যালয় রয়েছে, যেখানে জনগণের অধিকার কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়ার—সেখানে দুর্ভোগের শেষ নেই। সকল প্রকার কাজের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ঘুষ দিতে হয়। এবং সরকারি কাজের ধীরগতি যেন আরো দীর্ঘসূত্রতায় রূপ নেয়। যার কারণে সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজস্ব ফাঁকি থেকেই যায়। সড়কে মহাসড়কে হাট বাজার ও শহরে বিআরটিএ অভিযান মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনবিহীন অনেক গাড়ি জব্দ করা হয়। আবার সময়ে ভিআইপিদের ফোনে ও অর্থের বিনিময় মাঝে মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। আইন প্রয়োগের ভিন্নতা লক্ষণীয়। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি—সরকারের রাজস্ব আয়ের ফাঁকি থেকে জনগণের অর্থের সঠিক মূল্যায়নের জন্য বিআরটিএ-র মাধ্যমে নতুন গাড়ি ক্রয়ের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে রেজিস্ট্রেশনের দায়িত দেওয়া। সকল গাড়ি বিক্রয়ের জন্য সরকারি রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যেন গাড়ির দামের সঙ্গে বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হয়। তবে সরকারি রাজস্ব যেমন ফাঁকি হবে না, তেমনি জনগণও দুর্ভোগের সম্মুখীন হবে না। আমি কোম্পানির নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ফি বাধ্যতামূলক করার আইন প্রণয়ন করার জন্য সরকার ও আইন বিভাগের দৃষ্টি আর্কষণ করছি বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য।
মো. আজিজুর রহমান আজিজ
নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ