ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন কমিটির দায়িত্ব পুনর্বিন্যস্ত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এডহক কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। নির্বাচিত বোর্ডের ২৩ পরিচালকের জায়গায় এডহক কমিটি কেবল ১৩ জনে হওয়ায় কোন কোন সদস্য একাধিক দায়িত্ব পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এডহক কমিটির প্রথম সভায় ১৯টি কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয় ১২ সদস্যকে। এডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাসের হলেও প্রাত্যহিক ক্রিকেট সূচি এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কমিটিগুলোর দায়িত্ব পুনর্বিন্যস্ত করতে হয়। ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন সিরাজ তার আগের দায়িত্বের বাড়তি হিসেবে দেখভাল করবেন মহিলা বিভাগেরও। সূর্যতরুণ ক্লাবের সভাপতি আফজালুর রহমান সিনহাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অর্থ কমিটির। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে আগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে গেম ডেভেলপম্যান্ট কমিটির দায়িত্ব। তার জায়গায় এসেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে পেয়েছেন ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম) এর। গ্রাউন্ডস এন্ড ফ্যাসিলিটিজ কমিটিকে ভেঙ্গে দু’টি আলাদা কমিটি করা হয়। এর মধ্যে ফ্যাসিলিটিজ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন বিদায়ী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আনাম। অপরদিকে গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে মোহামেডান লিমিটেডের প্রশাসক লোকমান হোসেন ভুঁইয়াকে। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাসিরকে দেয়া হয়েছে অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন পেয়েছেন আম্পায়ার্স কমিটির দায়িত্ব। বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে তিনি বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটও দেখভাল করবেন। আবাহনী ক্রিকেট কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ডা: আই এইচ মল্লিককে দেয়া হয়েছে মেডিক্যাল ও লজিষ্টিক প্রোটোকলের দায়িত্ব । এছাড়াও তিনি বিপিএল কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে বাড়তি দায়িত্ব পালন করবেন । বিসিবি’র বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি পেয়েছেন মার্কেটিংয়ের দায়িত্ব। গাজী ট্যাংক ক্রিকেটার্সের চেয়ারম্যান গোলাম মূর্তজা পেয়েছেন শৃংখলা এবং দরপত্র বিক্রয় কমিটির দায়িত্ব। শচিন একটা ইনস্টিটিউশন বললেন সিধু ধারাবাহিকভাবে খুবই খারাপ পারফরমেন্স করার পর চারদিকে শচিন টেন্ডুলকারের সমালোচনার ঝড় উঠছে। তবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ওপেনার নভোজাত সিং সিধু মনে করেন, একটা দল যখন পরিবর্তনকালীন সময় অতিবাহিত করে তখন দলে সিনিয়র ব্যাটসম্যানদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। সিধু বলেন, ‘ভিভিএস লক্ষণ, রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলির মতো কোন খেলোয়াড়ই এখন দলে নেই। সুতরাং অবশ্যই অভিজ্ঞতা আমাদের খুব দরকার এবং যে পর্যন্ত আমরা কোন বিকল্প না পাবো, ঠিক সে পর্যন্ত আমরা টেন্ডুলকারের অবসরের কথা ভাবতে পারি না।’ গত ১০ ইনিংসে ১৫.৩ গড়ে টেন্ডুলকার সর্বমোট রান করেছেন ১৫৩ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার ম্যাচ সিরিজের গত দু’ম্যাচে তার ব্যর্থতা আরও বেশি হতাশ করেছে। দীর্ঘদিন যাবত্ টেন্ডুলকারের ফর্ম না থাকার ব্যাপারে ক্রিকেটার থেকে ধারাভাষ্যকার হওয়া সিধু বলেন, ‘শচিন ঈশ্বর নয়, সে একজন মানুষ। তার ‘সুদর্শন চক্র’ নেই; তার হাতে শুধু একটা ব্যাট আছে এবং অনেক সময়ই ব্যাট ব্যর্থ হতে পারে।’ সিধু বলেন, যখন টেন্ডুলকারের সমালোচনা হয়, তখন তার কষ্ট লাগে। ‘শচিন শুধু একজন ব্যক্তি নয়, সে একটা প্রতিষ্ঠান। সে একটা মুক্তা এবং কাঁচে পরিণত হতে পারে না।’ ‘আগামী দু’ম্যাচে সে ফর্মে ফিরবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী’ বলে উল্লেখ করেন সিধু। বয়সের কারণে টেন্ডুলকারের দ্যুতি অনেকটা কমে গেছে বলে স্বীকার করেন সিধু। তিনি বলেন, ‘তার দ্যুতি হয়তোবা কমে গেছে। তবে গত ২৩ বছর যাবত্ সে খেলে আসছে এবং এই বাজে সময় থেকে বেরিয়ে আসতে অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট।’ -বাসস/পিটিআই