প্রাপ্তি

ঘুরে ঘুরে আসি, ধ্বংস এবং মৃত্যুর প্রতি ভাঁজে অচেনা পাথর জ্বলে। পোড়ে। ভাসে। প্রয়োজন কোন কাজে খাদ্য চেয়েছি কবিতার পাশে প্রবল পথের ঘোঁজে কাঁটা কিছু নেই, নিরেট কুসুম কেউ কি কখনো খোঁজে! পথে পথে দেখি দাঁড়িয়ে রয়েছে চরণচিহ্ন তার চোখে তুলে নাও। বুকে তুলে নাও। এসেছি পুরুষকার ক্ষমতার কাছে আঁচ করা যায়—মানুষ কতটা সত্ এই তবে প্রেম! এই তবে ঘৃণা! আমাকে ভোলালে পথ যদিও বলেছি, আবারও বলছি ফসলের ইতিহাস শেকলে কশায় লেখা হয়েছিল—পিতামহ ক্রীতদাস জলের বিছানা, আগুনের ঘ্রাণ জটিল অগ্নিচাবি এত প্রতারণা! মিটিল না তবু বুভুক্ষুদের দাবি বন্ধনবেড়ি; ঠিকানা কোথায়, যুক্তিভ্রংশ লোক অন্ধজনের সকল শ্রবণ আলোয় ভরানো হোক কান্না তখনো থমকে রয়েছে দৃষ্টিহীনার চোখে সান্ত্বনাবাঁধ কোথাও পাব কি! দুখের ধারণা রোখে ফুলের গরিমা অটুট দেখেছি আগুন শুয়েছে পাশে কবিতার ঘ্রাণ ফুটেছে তখনো মরুময়তার পাঁশে গভীর শ্রমের চার পাশে একি থমথমে ছায়া আঁকা গ্রাম চলে যায় শহরের বুকে—সময় ঘুরাল চাকা তোমাকে পেয়েছি শান্তির পাশে যৌবন কেঁপেছে জ্বরে সকল প্রাপ্তি, সকল ভ্রান্তি নারী-পুরুষের ঘরে বিচলিত মেঘে থাকে না বৃষ্টি, ফুরাল যখন রতি হিসেবে কী কাজ! নিয়েছি... দিয়েছি... হয়েছে যা লাভ-ক্ষতি