সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে, প্রস্তুতি নিন
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩২
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী দশম জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে নির্বাচনের যে প্রক্রিয়া আনা হয়েছে সেটা অনুসরণ করে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। উল্লেখ্য, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রাখা হয়েছে সংবিধানে। সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়ে বলেন, দলের তৃণমূলের ভোট পেতে হবে। তৃণমূল থেকে নির্বাচিত হতে না পারলে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। এমপির প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে সবার এলাকায় পরিচালিত জরিপের রিপোর্ট আছে। বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্টের পাশাপাশি দলীয়ভাবেও জরিপ করা হয়েছে। দু’দফায় এ জরিপ চালানো হয়েছে। আরেক দফার জরিপ চলমান রয়েছে। এসব জরিপ রিপোর্টের ভিত্তিতে এবং তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিতরাই মনোনয়ন পাবেন। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে ফেলারও নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে যত বড় নেতাই হোক, এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা না থাকলে মনোনয়ন পাবেন না।
সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব এবং অপতত্পরতা প্রতিহতের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, জামায়াত-শিবির পরিস্থিতি যাতে অশান্ত করতে না পারে সে জন্য সাংগঠনিক তত্পরতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে সংসদ সদস্যদের প্রত্যেকের এলাকায় বিজয় মেলা করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি জামায়াত-শিবির-যুদ্ধাপরাধীদের অপতত্পরতা জনসাধারণের মাঝে তুলে ধরতে হবে।