আমরা জরুরি অবস্থায় বিশ্বাস করি না
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৫
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি, জরুরি অবস্থা দেবো কেন? আমরা জরুরি অবস্থায় বিশ্বাস করি না। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে ইঙ্গিত করে বলেন, আমি জানতে চাই তিনি কি এ ধরনের ব্যবস্থা আনার চেষ্টা করছেন? আপনাদের প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি অবস্থা জারি করে দুবছর দেশ শাসন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির জন্ম ক্যান্টনমেন্টে। আর এ জন্মের কারণে জরুরি অবস্থার স্বপ্ন দেখাটাই তার স্বাভাবিক ব্যাপার। তিনি দেশের চেহারা পাল্টে দিতে চান যদি ক্ষমতায় আসতে পারেন। হ্যাঁ পাল্টে দেবেন। সারাদেশে বোমাবাজি, জঙ্গিবাদসহ অতীতে যা করেছিলেন সেসব ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনে দেশের চেহারা পাল্টে আগের মত করার স্বপ্ন দেখছেন। জনগণ এ ধরনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে দেবে না। জনগণই প্রতিরোধ করবে।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা বক্তৃতায় বলেছেন তার ছেলেরা সত্। তার ছেলের পাচার করা টাকা সিঙ্গাপুর থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আমার বাবাও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আমিও প্রধানমন্ত্রী। আমরা দুর্নীতি করি না। আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। কারা ভাঙা স্যুটকেস থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছে তা জাতি জানে। আমাকে বলতে হবে না। বিরোধী দলীয় নেতা আমাদের ব্যাপারে মিথ্যাচার করছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা বিজয়ের মাসে কেন আন্দোলনের ডাক দিলেন? তিনি ১৮ দলীয় জোট করেছেন। কাদের নিয়ে জোট করলেন। সূর্যসেন হলে ছাত্রলীগের সাতজনকে হত্যাকারী, সোনার দোকান লুটকারী ও রাজাকারদের নিয়ে জোট করেছেন। জিয়াউর রহমান খুনিকে ক্ষমা করে দিয়েছে। আর শ্লোগান দিয়েছে ‘আমরা জিয়ার সাথে আছি, সাত খুন করে মাফ পেয়েছি’। সাবাশ সাবাশ এই না হলে বিরোধী দলীয় নেতা।