ইত্তেফাক রিপোর্ট
সাধ করে কেউ দেশত্যাগ করে না। জীবন ও সম্পদের ওপর যখন হুমকি আসে, তখন মানুষ দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘আদিবাসী, সাঁওতাল ও অন্যান্য প্রান্তিক পরিবারের প্রতি বর্বরতার বিচার ও মানবিক সহায়তার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন।
এসময় সুলতানা কামাল আরো বলেন, সম্মানজনক জীবনযাপনের অধিকার হারিয়ে বিভিন্ন সময় এ দেশের সংখ্যালঘুরা দেশত্যাগে বাধ্য হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সাহেবগঞ্জ-বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কে। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর হাইকোর্ট মামলা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেন। কিন্তু আড়াই বছর হলেও তদন্তের কাজ শেষ হয়নি।
জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন বলেন, বাগদা ফার্মের সাঁওতালদের জমি একর প্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা করে লিজ দেওয়া হয়েছে প্রভাবশালীদের কাছে। তারা আবার সাবলিজ দিয়েছে ৩০ হাজার টাকা করে। এভাবে শতকোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে। এই বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান প্রয়োজন।
মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের প্রধান আইন উপদেষ্টা সাবেক বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, গোবিন্দগঞ্জের এই ঘটনার বিচার সবাই চায়। এটা মানবিক অধিকারের প্রশ্ন। সরকার তাদের দায়িত্ব পালন করুক। এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, এ ঘটনার পর সরকারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।