কোটি টাকার সেতু রেখে
সাঁকোতে পারাপার
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪৯
এপারে নবগ্রাম। ওপারে জামতৈল। মাঝে বৈরান নদী। নদীর নবগ্রাম মসজিদ ঘাটে বাঁশের সাঁকোতে পার হয় গোলাবাড়ি, নবগ্রাম ও জামতৈল গ্রামের বাসিন্দারা। এ ঘাটে সাঁকোর জন্য তিন গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে। দাবির মুখে এলজিইডি ব্রিজ নির্মাণে কোটি টাকা বরাদ্দও দেয়। কিন্তু ঘাটের ব্রিজ নির্মিত হয় অঘাটে। গ্রামবাসির অভিযোগ, এক প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যানের কারণে জনবহুল ঘাট বাদ দিয়ে এক কিলোমিটার উজানে রাস্তাবিহীন নির্জন স্থানে ২০০০ সালে নির্মিত হয় ঐ ব্রিজ। কিন্তু উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক না থাকায় এক যুগ ধরে ব্রিজটি অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এলজিইডির স্থানীয় কর্মকর্তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ব্রিজটি চালু করতে এক-দেড় কিলো নতুন রাস্তা বানাতে হতো। এতে ১০/১৫ একর আবাদী জমি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গ্রামবাসিরা প্রতিবাদে নামে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ব্রিজের উভয় পাড়ে নতুন রাস্তা নির্মাণে বাড়তি ৪০/৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে রাজি হয়নি। বিলডগা গ্রামের খাদেম আলী জানান, মানুষ পারাপার না হওয়ায় ব্রিজটি এখন বখাটে ও মাদকসেবীদের আস্তানা। জামতৈল গ্রামের আব্দুল লতিফ জানান, বহু আন্দোলন-সংগ্রামে পাওয়া ব্রিজটি অঘাটে নির্মাণ করায় কেউ সুফল পাচ্ছে না। গ্রামবাসিরা নিজ ব্যয়ে বর্ষাকালে দ্বিতল সাঁকোয় আর শুকনো মৌসুমে একতলা সাঁকোতে নদী পার হয়।