নতুন নিয়মের সুবিধা
পায়নি কোন দলই
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩৬
অক্টোবরে ওয়ানডে ক্রিকেটের পাওয়ার প্লে ও বাউন্সার আউনে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। সে নিয়মে এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের খেলাও হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পরিবর্তিত নিয়মে প্রথম ম্যাচ খেললো কাল। প্রথম ম্যাচেই অনায়াস জয় পাওয়ায় একটা আলোচনা হচ্ছে যে, বাংলাদেশ কী এই নিয়মে বেশি সুবিধা নিতে পারল কি না। কিন্তু ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ রেফারি ও সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক রকিবুল হাসান বলছেন, কোনো দলই এই লো স্কোরিং ম্যাচে পরিবর্তিত নিয়মের কোনো সুবিধা পায়নি। বাংলাদেশ ব্যাটে-বলে পারফরম করেই জিতেছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার প্লে ২০ ওভার থেকে কমিয়ে আনা হয়েছে ১৫ ওভারে। এরমধ্যে প্রথম ১০ ওভার বাধ্যতামূলক। আর দ্বিতীয় ৫ ওভার ব্যাটিং দলের ইচ্ছা অনুযায়ী। তারা ১৬-৪০ পর্যন্ত যে কোনো সময় ৫ ওভার নিতে পারবে। প্রথম ১০ ওভার পাওয়ার প্লেতে ৩০ গজের বাইরে দু’জন ফিল্ডার আর পরের পাওয়ার প্লেতে তিনজন থাকতে পারবে। পুরনো নিয়মে যে কোনো পাওয়ার প্লেতেই দুজন ফিল্ডারের ৩০ গজের বাইরে অনুমতি ছিলো। নন পাওয়ার প্লে’র ফিল্ডার রেস্টিকশনের ব্যাপারেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নন পাওয়ার প্লে ওভারে আগে ৩০ গজের বাইরে ৫ জন ফিল্ডার রাখার অনুমতি থাকলেও নতুন নিয়মে তা থাকবে ৪ জন। উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর থেকে আইসিসি ওয়ানডেতে নতুন এ নিয়ম চালু করে। এ ছাড়া নতুন নিয়মে একজন বোলার ওভারে দুটি করে বাউন্সার দিতে পারছেন।
রকিবুল হাসান বলছিলেন, ‘পেসারদের ক্ষেত্রে কোনো দলকেই তেমন পরিকল্পনা নিয়ে খেলতে দেখা যায়নি। বাড়তি বাউন্সার দিয়ে এখানে খুব লাভও হত না। তবে আবুল হোসেন কিছুটা ছাড় পেয়েছেন এই আইনের কারণে। আর ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নন পাওয়ার প্লেতে ফিল্ডিং রেস্টিকশনের কোনো সুবিধা নিতে পারেনি। বাংলাদেশের স্পিনাররা সেটা করতে দেয়নি। আবার বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ফিল্ডিং রেস্টিকশনের সুবিধা নিতে ঝুঁকি নেয়ার দরকারই হয়নি। কারণ টার্গেট ছিল ছোট। তাই বলতে পারেন, আইনের পরিবর্তন এ ম্যাচে অন্তত তেমন প্রভাব ফেলেনি।’