জালিয়াতির অভিযোগে এসএনসি লাভালিনের সাবেক প্রধান গ্রেফতার

এসএনসি লাভা-লিনের সাবেক প্রধান নির্বাহী পিয়েরে দুহাইমেকে জালিয়াতির অভি-যোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। কানাডার কুইবেক দুর্নীতি দমন স্কোয়াড গত বুধবার তাকে সুইজারল্যান্ডের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে। মন্ট্রিল সুপার হসপিটাল নির্মাণ চুক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে জালিয়াতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। খবর সিবিসি নিউজের। প্রাদেশিক পুলিশ ইউনিট জানিয়েছে, পিয়েরে জালিয়াতির অভিযোগের মুখোমুখি হবেন। জালিয়াতির চক্রান্ত করারও অভিযোগ আনা হবে। ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় হেলথ সেন্টার ঘিরে অভিযোগ উঠেছে তিনি মিথ্যা নথি ব্যবহার করেছেন। এসএনসি লাভালিনের নির্মাণ বিভাগের সাবেক প্রধান রিয়াদ বেন আইসার বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ আনা হয়েছে। গত মার্চে পিয়েরে দুহাইমের বিরুদ্ধে তদন্তে বেরিয়ে আসে অপ্রকাশিত এজেন্টকে ৫৬ মিলিয়ন ডলার অন্যায়ভাবে প্রদান করেছেন তিনি, যা কোম্পানির নীতি বিরুদ্ধ। এর পরপরই তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে সড়ে দাঁড়ান। এসএনসি লাভালিনের মুখপাত্র লেসলি কুইনটন বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, সব কর্তৃপক্ষকে প্রতিষ্ঠানটি সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে এবং করবে। বেন আইসা এই মুহূর্তে সুইজারল্যান্ডের কারাগারে আছেন। গত এপ্রিলে অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কানাডা ও সুইজারল্যান্ড সরকার লিবিয়ায় নির্মাণ কাজের জন্য ১৯৫ মিলিয়ন ডলার প্রদানের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে। জেনেভাভিত্তিক আইনজীবী রোনাল্ড কওফম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে এই মামলায়। বেন আইসার সঙ্গে লিবিয়ার সাবেক নেতা গাদ্দাফির সুসম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের সুবাদে লাভালিন লিবিয়ায় একটি এয়ারপোর্ট, একটি কারাগার ও একটি বড় পানি বিতরণ প্রজেন্ট নির্মাণের কাজ পায়। স্প্রট স্কুল অব বিজনেসের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক ইয়ান লি বলেন, বড় কোম্পানিগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ে যখন তারা দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে। এটা অনেকটা উভয় সংকটের মতো। যদি তুমি ঘুষ না দাও তাহলে বড় কাজের চুক্তি পাবে না। আর যদি কাজ পেয়েও যাও তাহলে কানাডার আইনে জেল খাটার ঝুঁকি থেকে যায়।