জোকস

বারে নতুন এক ওয়েটার এসেছে। সন্ধ্যার শুরুতেই এক খদ্দেরের কাছে সে বিল চাইতেই মস্ত হুলস্থুল বেধে গেল। ওয়েটার যতই দাবি করে যে বিল দেওয়া হয়নি, মাতাল ব্যক্তিটি ততই গলা চড়িয়ে দাবি করে যে সে বিল দিয়ে তবেই খাওয়া শুরু করেছে। এভাবে বেশ কিছুক্ষণ চলার পর অবশেষে হার মানলো নতুন ওয়েটার। বিষয়টা দূর থেকে দেখল আরেক মাতাল। এবার সে-ও প্রথম মাতালের মতো করেই বিল প্রথমেই দিয়েছি বলে চলে গেল। ওয়েটার ভাবল এভাবে তো পারা মুশকিল। তাই তৃতীয় আরেকজন তার সামনে এসে মদ চাইতেই সে কড়া গলায় বলল, ‘দেখো বাপু, আমাকে আর বোকা বানানো চলবে না। তোমাদের ফাজলামি আমি এখন বেশ ভালোই বুঝেছি। আগে টাকা দেবে তারপর অর্ডার নেওয়া হবে।’ তৃতীয় মাতাল এবার আগের সবার চাইতেও জোর গলায় চিত্কার করে লোক জড়ো করতে লাগল। সবাইকে ডেকে ডেকে সে অভিযোগের সুরে বলতে লাগল যে নতুন ওয়েটার তার অর্ডার তো নিচ্ছেই না, উল্টো প্রথমে তাকে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল সেই টাকার ভাংতিও ফেরত দিচ্ছে না!’ বেশ অনেকদিন থেকেই রাতে ঘুমের অসুবিধা হচ্ছিল সামাদ ইলেকট্রনিক্সের এক কর্মীর। প্রতি রাতেই দেরি করে ঘুমানোর কারণে রোজই সকালে দোকানে আসতে দেরি হয়ে যেত তার। আর এই নিয়ে হররোজ মালিকের বকা খাওয়াটাও একেবারে রুটিনে পরিণত হয়েছিল। অগত্যা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ডাক্তারের কাছে গেলেন ওই কর্মী। ডাক্তারকে সব বুঝিয়ে বলার পর ডাক্তার জানালেন আসলে ঠিকভাবে ঘুম হচ্ছে না বলেই এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে। তাই কিছুদিন হালকা মাত্রার ঘুমের ওষুধ খেয়ে রাতে একটু আগে আগে ঘুমিয়ে পড়ার পরামর্শ দিলেন ডাক্তার। জানালেন এভাবে দু’একদিন ফ্রেশ ঘুম হলে তার ঘুমের রুটিনটাও ঠিক হয়ে যাবে এবং সকালে ঠিক সময় মতো তিনি উঠতে পারবেন। ঘুমের এই ওষুধে দারুণ কাজ হলো। পরদিন সকালে ঠিক সময় মতো অফিসে হাজির হয়ে ঐ কর্মী গেলেন মালিকের কাছে। বললেন, ‘দেখলেন তো স্যার, আজ কী রকম ঠিক সময়ে অফিসে চলে এলাম। আমি নতুন ওষুধ খাচ্ছি। কাজেই এখন থেকে এভাবে প্রতি সকালেই আমাকে দোকানে হাজির পাবেন।’ কিন্তু তার কথায় বিন্দুমাত্র কান না দিয়ে দ্বিগুন জোরে ধমকে উঠে মালিক জানতে চাইলেন, ‘পুরো একদিন পর দোকানে এসে বড় বড় কথা। গতকাল কোথায় ছিলে তুমি?’