ইসিতে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি দুটি দলের

সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ধারাবাহিক সংলাপের ষষ্ঠদিনে গতকাল সোমবার দলগুলোর পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এদিকে কমিশনের সংলাপে আসতে না পারার কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। লিখিত চিঠিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সংলাপে অংশ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ গতকাল বেলা ১১টায় দলটির সঙ্গে ইসির সংলাপে বসার কথা ছিল। জামায়াতের পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপিও সংলাপে অংশ নেয়নি। গতকাল দুপুর ১২টায় সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে ১০ সদস্যদের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়। দলটি সাত দফা লিখিত সুপারিশ ইসির কাছে তুলে ধরে। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সর্বদলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন। দুপুর ২টায় ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এনামুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়। সংলাপে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করার অন্যতম শর্ত হলো কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ করা। স্বাধীনতা ও সংবিধান বিরোধী জামায়াতের নিবন্ধন এখনো পর্যন্ত কিভাবে বহাল থাকে ? বেলা ৩টায় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গনির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে না। বিকাল ৪টায় শফিউল আলম প্রধানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির দাবি উত্থাপন করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী, মো. শাহ নেওয়াজ, ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব জেসমিন টুলি, বিশ্বাস লুত্ফুর রহমান, জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান প্রমুখ।