ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা এর নাম দিয়েছেন ‘ফণি’। ঘূর্ণিঝড়টি ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরপর এটি উত্তর-পূর্বে দিক পরিবর্তন করে বাংলাদেশ সীমার দিকে এগিয়ে আসতে পারে। যদি দিক পরিবর্তন করে তাহলে আগামী মাসের ৫-৬ তারিখ নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টির বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. আবুল কালাম মল্লিক জানান, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ববর্তী সময়ে সাগর উত্তাল থাকে। তাই মাছ ধরার ট্রলার-নৌকাগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের গভীর সমুদ্রবন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ভারতের অন্ধ্র-তামিলনাড়ু থেকে দিক পরিবর্তন করে বাংলাদেশ কিংবা মিয়ানমার সীমা অতিক্রম করতে পারে।
এদিকে গতকালও ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ স্থানে তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। শনিবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাঙ্গামাটিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল গোপালগঞ্জে ২২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে যশোরে ১৯ মিলিমিটার। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ এবং সর্বনিম্ন ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ রবিবার কিছু কিছু জায়গা থেকে এই তাপদাহ কমতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।