দরপতনের বৃত্তে শেয়ারবাজার

শেয়ারবাজারে প্রায় প্রতিদিনই দরপতন চলছে। লেনদেন হচ্ছে দেড়শ থেকে তিনশত কোটি টাকার মধ্যে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ না করায় দরপতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না পুঁজিবাজার। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বলছেন, মার্চেন্ট ব্যাংক ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো বাজারে এ পর্যন্ত যে বিনিয়োগ করেছে অনেকাংশেই তা ক্ষতির মধ্যে থাকায় বিক্রি করতে পারছে না। তার উপর মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সুদ মওকুফ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে গেছে। তাই তারা বিনিয়োগ করতে পারছে না। তাছাড়া আস্থার অভাব থাকায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না। আস্থার অভাব কেটে গেলে কিছুটা বিনিয়োগ করা সম্ভব হতো। এদিকে ব্যাংকগুলো বলছে, বাজারে আস্থার অভাবই প্রধান সমস্যা। আস্থার অভাব কেটে গেলে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করতে পারবে। তাই বাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে আস্থার সঙ্কট কাটাতে হবে বলেই মনে করেন তারা। শেয়ারবাজারে একের পর এক দরপতনে বেশিরভাগ কোম্পানির দর তলানিতে চলে এসেছে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ০ দশমিক ৬০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই- ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৩৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৩ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ২৫০ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৫৯ টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩ টির, কমেছে ৬৬ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০ টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে ডিএসইতে হাত বদল হয়েছে ২৫৯ টি কোমপানির ৪ কোটি ১৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪১টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।