নাগেশ্বরী ও চরভদ্রাসন হাসপাতালে
এক্স-রে মেশিন নষ্ট
প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৫
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন থেকে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে হতদরিদ্র রোগীরা বিনামূল্যে রোগ নির্ণয়ে প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত।
জানা গেছে, প্রায় ১৩ বছর আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি কোরিয়ান এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি ২/৩ মাস ব্যবহারের পর নষ্ট হয়ে যায়। এ পর্যন্ত সেটি সে অবস্থায় পড়ে আছে। নেই কোন মেরামতের উদ্যোগ। সুযোগ বুঝে উপজেলা সদরে বেসরকারিভাবে গড়ে উঠা কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেশি টাকা ব্যয়ে রোগীদের এক্স-রে করাতে হয়। অভাবী ও দারিদ্র্যপীড়িত এ এলাকায় হতদরিদ্র রোগীরা অনেক সময় প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে এক্স-রে করাতে চান না। ফলে প্রকৃত রোগনির্ণয় করতে অনেক সময় ডাক্তারদের সমস্যায় পড়তে হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য প:প: কর্মকর্তা ডা: মোকছেদুর রহমান রঞ্জু বলেন, ডিজি অফিস থেকে পরপর দু’বার ইঞ্জিনিয়ার এসে দেখে যাওয়ার পরেও এটি মেরামতের কোন উদ্যোগ আজ পর্যন্ত গৃহীত হয়নি।
এদিকে চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানায়, কয়েক মাস নয়, দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবত্ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। রাত-দিন প্রায় অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের এ মেশিনটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকে হাসপাতালের একটি কক্ষে। শুধুমাত্র মেশিনটির কী-বোর্ড নষ্ট থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চিঠি পাঠালেও মেশিনটি মেরামতের কার্যকর কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা লোকজনকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদেরকে এক্স-রে করানোর জন্যে দ্বারস্থ হতে হচ্ছে বেসরকারি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ওপর। অর্থাভাবে অনেক হতদরিদ্র ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে যাওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন না। এলাকাবাসীর অভিযোগ একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণেই মেশিনটি সচল হচ্ছে না।