কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুটে নাব্যতা সংকট
শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫২
শুষ্ক মৌসুম না আসতে ২১ জেলার লোকজনের চলাচলের প্রধান রুট কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুটে নাব্যতা সঙ্কট দেখা দিয়েছে। অব্যাহত পানি কমার সাথে সাথে এ নৌরুটে জেগে উঠেছে একাধিক ডুবোচর। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে লঞ্চ ও ট্রলারসহ যাত্রীবাহী নৌযানগুলো আটকে যাচ্ছে ডুবোচরে। ফলে এ রুটে চলাচলরত মাদারীপুর ,শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
এরমধ্যে নাব্যতা সঙ্কটের কারণে স্থানীয় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ড্রেজিংয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে।
অপরদিকে মাওয়া, চরজানাজাত নৌরুটের লৌহজং টার্নিং থেকে হাজরা পয়েন্ট পর্যন্ত চ্যানেল সঙ্কীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে এ চ্যানেলে ডাবল ওয়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
সমপ্রতি দেড় শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমভি দূর-দূরান্ত নামের একটি লঞ্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাঝিকান্দি ঘাট ছেড়ে আসার পর ১ কিলোমিটার অদূরে লঞ্চটি ডুবোচরে আটকে যায়।
মাঝিকান্দি ও নাওডোবা পয়েন্টের মাঝামাঝি স্থানে ভেসাল সংলগ্ন স্থানে ১০০মিটার এলাকা জুড়ে বিশাল ডুবোচর থাকার কারণে লঞ্চটি আটকা পড়ে। এ সময় লঞ্চের দেড় শতাধিক যাত্রীকে একাধিক ট্রলার ও লঞ্চযোগে উদ্ধার করে মাওয়া ঘাটে পৌঁছানো হয়।
ফেরিচালকদের অভিযোগ, নদীর এ পয়েন্ট স্বাভাবিকভাবে সঙ্কীর্ণ থাকলেও ড্রেজিং বিভাগ এখানে পানির গভীরতার জন্য পলি অপসারণ করেছে। কিন্তু চ্যানেলের প্রশস্ততার জন্য কোনও ড্রেজিং করেনি।
লঞ্চমালিক হুমায়ুন জানান, নাব্যতা সঙ্কটের কারণে এর আগের দিনও একই স্থানে এমভি দূর-দূরান্ত, এমভি শামীম লঞ্চ ডুবোচরে আটকে যায়।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, পানি কমার কারণে কাওড়াকান্দি-মাঝিকান্দি ও নাওডোবা পয়েন্টের মাঝামাঝি স্থানে বালু ঘেঁষে ঘেঁষে লঞ্চ চলাচল করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ড্রেজিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানানো হয়েছে।