খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪২
বাড়তে শুরু করেছে খাদ্যপণ্যের দাম। বিদায়ী নভেম্বর মাসে দেশজুড়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ২০০৫-২০০৬ সালকে ভিত্তি বছর হিসেবে নভেম্বর মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিলো ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গত অক্টোবর মাসে এ হার ছিলো যথাক্রমে ৫ দশমিক ৮৬ ও ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। অন্যদিকে ১৯৯৫-৯৬ সালকে ভিত্তি ধরলে নভেম্বর মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। গত অক্টোবর মাসে এ হার ছিলো যথাক্রমে ৭ দশমিক ২২ ও ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এই তথ্য প্রকাশ করেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল। তিনি জানান, প্রধানত আটা, ডাল, মাছ, মাংস, মসলা, দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সমাগ্রীর মূল্য বাড়ায় এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এ কারণে সার্বিক মূল্যস্ফীতিও কিছুটা বেড়েছে।
তবে নতুন ও পুরাতন দুই সালকে ভিত্তি ধরে খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে এসেছে। পুরনো হিসাবে (১৯৯৫-৯৬ সালকে ভিত্তি ধরে) অক্টোবরের ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ থেকে কমে নভেম্বরে হয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। আর নতুন পদ্ধতিতে (২০০৫-০৬ সালকে ভিত্তি ধরে) হিসাব করলে এই হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছে।
নভেম্বর মাসে নতুন হিসাবে গ্রামীণ অঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। অক্টোবরে এ হার ছিল ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। আর পুরনো হিসাবে নভেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ হয়েছে। যা অক্টোবরে ছিলো৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে শহর এলাকায় অক্টোবরে ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে ৮ দশমিক ৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ১৯৯৫-৯৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে অক্টোবরে ৮ দশমিক ৩২ থেকে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে।