হারানো আসন ফিরে পেতে মরিয়া মির্জাপুর বিএনপি

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে টাঙ্গাইল-৭,মির্জাপুর উপজেলার নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে। দলকে চাঙ্গা করতে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা চষে বেড়াচ্ছে গ্রাম থেকে গ্রামান্তর। মির্জাপুর আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করেছেন সাবেক এমপি এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী,টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক, স্বাধীন গ্রুপের চেয়ারম্যান এ কে এম আজাদ স্বাধীন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলের সাবেক জিএস এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান সাইদ সোহরাব,টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সদস্য জিয়া কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ফিরোজ হায়দার খান,মির্জাপুর কলেজের সাবেক জিএস ভিপি ও বর্তমান পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী মিয়া, মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মির্জাপুর উপজেলা ঢাকা কল্যাণ সমিতির বর্তমান সভাপতি লায়ন প্রকৌশলী মৃধা নজরুল ইসলাম এবং মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপির সহসভাপতি এ্যাডঃ আব্দুর রউফ মিয়া । টাঙ্গাইল-৭, মির্জাপুর আসন বিএনপির জন্য একটি শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। ২০০১ এর নির্বাচনে কোন্দলের কারণে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যায়। ২০০১ ও ২০০৮ -এ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী পর পর দু’বার পরাজিত হবার পর নতুন মুখের দাবি উঠে নতুন মুখের মধ্যে স্বাধীন গ্রুপের চেয়ারম্যান এ কে এম আজাদ স্বাধীন গণসংযোগ এবং উন্নয়নমূলক কাজে আর্থিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনি সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ বলেছেন আমি সকল আন্দোলনে নেত্রীর নির্দেশে অংশ গ্রহণ করে যাচ্ছি। কাজেই আমি মনোনয়ন পাবো। প্রকৌশলী মৃধা নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন,দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে দলের জন্য কাজ করছেন, কাজেই দল তাকেই মনোনয়ন দেবেন। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শ্রমিক নেতা ফিরোজ হায়দার খান বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামসহ বিভিন্ন দুর্দিনে অর্থিক সহযোগিতা করে দলকে টিকিয়ে রেখেছি। দল আমাকেই মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়ন প্রত্যাশী অপর প্রার্থী হযরত আলী মিয়া বলেন, বিগত দিনে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে আমি কাজ করে আসছি। দল আমাকেই মনোনয়ন দেবেন বলে আমার বিশ্বাস। মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট আব্দুর রউফ বলেন, আমি বিএনপি’র জন্য সারাটা জীবন কাজ করেছি। দলের কাছে কিছু চাইনি।