একাডেমির খেলোয়াড় বাছাই করতে ফিফার কর্মকর্তারা ঢাকায়
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৯
ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে যারা বাফুফের একাডেমিতে ভর্তি হতে ট্রায়াল দিয়েছেন তাদের জন্য এবার চূড়ান্ত পরিক্ষার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আগামীকাল। এবার আর দেশি কোচ নয়। সরাসরি ফিফার বিশেষজ্ঞরা চূড়ান্ত বাছাইয়ের কাজ করবেন। ফিফার টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর জেন মিশেল এবং এশিয়া অঞ্চলের ফিফার কর্মকর্তা ভিনসেন্ট সুব্রামিনিয়াম এ জন্য ঢাকায় এসেছেন। আরো একজন কর্মকর্তা ডেভিড বোরজার গতকাল রাতেই ঢাকায় পৌঁছার কথা।
তারা আগামীকাল শনিবার এবং রবিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাফুফে একাডেমির জন্য চূড়ান্ত বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করবেন। সকাল নয়টা থেকে সারাদিনব্যাপি বাছাই প্রক্রিয়া চলবে। আগের দিনই ঢাকায় পৌঁছাতে হবে প্রাথমিক বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের। খেলোয়াড়রা কোথায় অবস্থান করবেন সেটা বাফুফে নির্ধারণ করবে বলে ডেভেলপম্যান্ট কমিটি সূত্রে জানা গেছে।
একাডেমির জন্য অনূর্ধ্ব-১৪ এবং অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সের দু’টি গ্রুপে খেলোয়াড় বাছাই হয়েছে। উপজেলা, জেলা এবং বিভাগসহ সারা দেশ থেকে এক লাখ ফুটবলার বিভিন্ন পর্যায়ের বাছাইয়ে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য ১৫২ জন ফুটবলার এখন শেষ পরিক্ষায় মাঠে নামবেন।
অনূর্ধ্ব-১৪ বছরের ৩০ জন এবং অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়েসের ৩০ জন খেলোয়াড় একাডেমিতে সুযোগ পাবেন। কম-বেশিও হতে পারে। কারণ যারা ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফিফার কর্মকর্তাদের নজর কাড়বেন তাদের সুযোগ দেয়া হবে একাডেমিতে-একথা বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বেশ কয়েক বার শুনিয়েছেন। তিনি সংখ্যা নিয়ে ভাবছেন না। প্রতিভা আছে, পরিচর্যা করা হলে নিজেকে মেলে ধরতে পারবেন এমন ফুটবলারই একাডেমিতে স্থান পাবেন-বাফুফে সভাপতির মন্তব্য।
ফিফার কর্মকর্তারা গতকাল বিকালে বাফুফের সভাপতির সাথে বৈঠক করেছেন। একটি সূত্র জানায়, বাফুফে সভাপতি সিলেটে বিকেএসপির বিদ্যমান অপ্রতুল সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আজ ফিফার কর্মকর্তারা সিলেটে বাফুফে একাডেমি পরিদর্শনে যাবেন। ঢাকায় এসে ফিফার কর্মকর্তারা সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলছেন না। এমনকি বাফুফের কর্মকর্তারাও না। আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে জানাবেন একাডেমি নিয়ে তাদের পরিকল্পনার কথা।