শীতের সবজির দাম চড়া দক্ষিণাঞ্চলে
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩২
দক্ষিণাঞ্চলের পাইকারি বাজারগুলোতে শীতকালীন সবজির ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও দাম গত বছরের দ্বিগুণ। গত বছর এ মৌসুমে সবজি বিক্রি হতো প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ টাকায় তা চলতি বছর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
শীত শুরুর সাথে আড়তগুলোতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিম, মুলা, শালগম, বেগুন, নতুন আলু ব্যাপক সরবারহ হচ্ছে। খুচরা বাজারে মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ধনেপাতা, কাঁচা টমেটো, পালংশাক, লাউ শাক, লাল শাকসহ শীতকালীন শাক-সবজির দামও চড়া। মাছের আকাল আগের মতই। সুস্বাদু কৈ, শোল, গজার, শিং কিংবা মাগুর মাছের দেখা মিলছে না বাজারে। যে সামান্য ছোট মাছ যেমন বাইলা, কাচকি বিক্রি হচ্ছে তার দাম প্রতি কেজি ২শ’ টাকার উপর। নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে এসব ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।
নগরীর কাঁচামালের পাইকারি বাজার সিটি মার্কেট, বাজার রোড, পোর্টরোডের বাজারগুলো ঘুরে গতকাল দেখা গেছে, শীতকালীন শাক-সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। পাইকার মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশি দামে এ সব বিক্রি করছেন। আড়ত থেকে খুচরা বিক্রিতে ৩০/৩৫ টাকা দরে শাক-সবজি ক্রয় করে নগরীর বিভিন্ন বাজারে নিয়ে ৪০/৫০ টাকা বিক্রি করছে। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকায়, সিম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, সালগম ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, আলু (নতুন) ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকার উপরে।
শীতকালীন শাক-সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য যখন আকাশচুম্বি তখন শীতকালীন মাছের স্বাদ ভুলতে বসছে এ অঞ্চলের মানুষ। বাজারে মিঠাপানির মাছের দেখা মিলছে না। শিং, মাগুর, শোল, কৈ, পুঁটিসহ সুস্বাদু মাছের স্থান দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড জাতের মাছ। সামান্য কিছু শিং ও মাগুর, শৌল মাছ বাজারে এলেও তা বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৮শ’ থেকে হাজার টাকায়। শিং, মাগুর, কৈ, টেংরা মাছ কেজিপ্রতি দাম এখন ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। ফলি, বাইন, কোরাল, শোল (ছোট), রাজপুঁটি বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকায়।