দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নতুন প্রজন্মই জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করবে

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, প্রযুক্তিতে দক্ষ, নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ বিশ্বমানের নতুন প্রজন্মই জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করবে। আর বিশ্বমানের নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা সবচেয়ে তাত্পর্যপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল শনিবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) দ্বিতীয় সমাবর্তন ২০১২ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের শতভাগ অর্থ ও অন্যান্য ব্যয়ের ৯৫ ভাগই জনগণ বহন করে। তারা আশা করে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এমন শিক্ষা, জ্ঞান, প্রযুক্তি, নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ পরিপূর্ণ মানুষ ও বিশ্বমানের প্রজন্ম গড়ে তুলবে, যারা নতুন বাংলাদেশ তথা আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে দেশের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ড. জামাল নজরুল ইসলাম তার বক্তৃতায় বলেন, শিক্ষার সঙ্গে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞানের চিন্তাগুলো সম্বন্ধে যথাসম্ভব সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি করা প্রয়োজন। এজন্য সবচেয়ে উপযু্ক্ত ভাষা হলো মাতৃভাষা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর আশা প্রকাশ করে বলেন, অচিরেই এ বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণ-এশিয়ার মধ্যে একটি অনুকরণীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান করে নিতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকালে শিক্ষামন্ত্রী পিএইচ.ডি ডিগ্রি প্রাপ্তদের সনদ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক’ প্রাপ্তদের পদক প্রদান করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষামন্ত্রী ও সমাবর্তন বক্তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ননী গোপাল মন্ডল এমপি, নজরুল ইসলাম মঞ্জু এমপি, নূর আফরোজ আলী এমপি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ বজলার রহমান, তড়িত্ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আশরাফুল গণি ভুঁইয়া, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এ এন এম মিজানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।