কালোবাজারি ও জাল টিকিটে বিসিবির টিকিট এন্ড সিটিং কমিটি জড়িত!

জাল টিকিটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) টিকিট এন্ড সিটিং কমিটির বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গেট সংলগ্ন বিসিবির টিকিট এন্ড সিটিং কমিটির এক লিয়াজো কর্মকর্তা ইব্রাহিম আলিকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের সময় তার কাছ থেকে সাতটি জাল টিকিট ও নগদ ২২শ টাকা পাওয়া গেছে। ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে জাল টিকিটসহ হাতে নাতে ধরার মধ্য দিয়ে। ট্রান্সটেল গেইটে বারকোড না মেলায় টিকিট এন্ড সিটিং কমিটির সদস্যদের বিষয়টি নজরে আসে। কায়সার আহমেদ এ টিকিট তার পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে পেয়েছেন বলে জানান। কায়সার জানান, জাল টিকিটসহ তাকে সে ব্যক্তি ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে আসেন আরো দু’একজন। এরা সবাই মিলে তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা উেকাচ দাবি করেন। না দিলে তাকে পুলিশের কাছে দিয়ে দেয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়। কায়সারের কাছে এতো টাকা না থাকায় তিনি টেলিফোনে তার আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। এ সময় বিষয়টি পুলিশের নজরে আসলে তারা এগিয়ে যান। পুলিশকে দেখে সিকিউরিটি কমিটির লোকেরা সরে যান। পরে কায়সার আহমেদের কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জানা যায়। এই ঘটনার পরপরই পুলিশ সদস্যরা টিকিট এন্ড সিটিং কমিটির লিয়াজোঁ অফিসার ইব্রাহিম আলী নামে একজনকে কালোবাজারে টিকিট বিক্রির সময় হাতে নাতে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। তিনি ইমন নামের এক স্কুল ছাত্রের কাছে ৫০ টাকার টিকিট ২০০ টাকায় বিক্রি করেছিলেন। এ সময় ইব্রাহিমের পকেট চেক করে আরো সাতটি টিকিট পাওয়া যায়। ইব্রাহিম জানান বোর্ড থেকে তাদেরকে দু’টি করে টিকিট দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাকি টিকিট তিনি কোথায় পেলেন এমন প্রশ্নে তিনি জানান তার অন্য বন্ধুরা তাকে রাখতে দিয়েছে। তা’হলে তিনি কেন বিক্রি করছেন জানতে চাইলে তিনি এর কোন সদোত্তর দিতে পারেননি। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বিসিবির পরিচালক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।