জড়িতদের শাস্তি দেয়া হবে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, বিরোধীদলের ডাকা অবরোধের দিনে রাজধানীতে নিহত বিশ্বজিত্ দাসের ঘটনাটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করার মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হবে। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমদ। রেজাউল মোস্তফার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কমিশনের মহাসচিব সাইফুল ইসলাম দিলদার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজিত্ দাসের হত্যা নিয়ে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শাস্তি দেয়া হবে। তিনি বলেন, দেশের ফৌজদারী আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি জোরপূর্বক ও সন্ত্রাসী তত্পরতায় দোকান-পাট, বাড়ি-ঘর বন্ধ রাখতে চায়, চলাফেরা বাধাগ্রস্ত করে তবে কোন নাগরিক তাদের ধরে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করতে পারে। অবরোধে গাড়ি পোড়ানো প্রসঙ্গে মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, অবরোধে যারা গাড়ি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, তারা যেন নিজের গাড়ি পুড়িয়ে প্রথমে প্রতিবাদ জানান। অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষ, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় বিরোধী দলের নেতাদের সমালোচনা করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের বাইরে মানবাধিকার আশা করা যায় না। সুযোগের সমতার মাধ্যমে সমাজের সকলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। তা হলেই সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলে বিশ্বের যে কোনো দেশের আদালতে তা ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসাবেই বিবেচিত হবে। এ কারণেই সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার কাজ শুরু করেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজির আহমেদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ অপেক্ষাকৃত কম শক্তি প্রয়োগ করছে। গত ২০ বছরে ঢাকা শহরে পুলিশ কোনো গুলি চালায়নি। ক্ষতিকর অস্ত্র ব্যবহার করেনি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।