প্রজাপতির নানা রং
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১২, ১৭:৫৬
চারিদিকে ফুলের বাহার, উড়ছে বাহারি রংয়ের প্রজাপতি। প্রজাপতির নানা রং। লাল, নীল, হলুদ, বেগুনীসহ নানা প্রকার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা রূপবৈচিত্র্য বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে প্রজাপতি। আর এ প্রজাপতি নিয়েই অনুষ্ঠিত হলো দেশের একমাত্র প্রজাপতি মেলা। ‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি প্রকৃতি পায় নতুন গতি’ এই স্লোগানকে ধারণ করে শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয়বারের মত অনুষ্ঠিত হলো প্রজাপতি মেলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম, শহীদ মিনারের পাদদেশ, বোটানিকাল গার্ডেনে বসেছিল প্রজাপতির হাট। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের সামনে এ মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রকৃতি ও জীবনের বর্ণিল অনুষঙ্গের নাম প্রজাপতি। প্রজাপতি শুধু নিজেই সুন্দর নয়, সে মানুষের মনকে উদ্বেলিত করে, আনন্দ যোগায়। মেলায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মেলার আহবায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন। মেলার আহবায়ক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন তুহিন কর্তৃক প্রদত্ত প্রজাপতি বিষয়ক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কবি খালেদ হোসাইন রচিত ছড়া নিয়ে ‘ছন্দে ছড়ায় প্রজাপতি’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটিতে ৪০ প্রজাতির প্রজাপতির ছবি ও তথ্যসহ ৪০টি ছড়া রয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজন ছিল মেলা উপলক্ষে। মেলায় শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি উড়ানো, কুইজ, বক্তৃতা, প্রজাপতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের করিডোরে শিশুদের জন্য ‘প্রকৃতি ও প্রজাপতি’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন স্কুলের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। পাশাপাশি শহীদ মিনার সংলগ্ন বাগানে আয়োজন করা হয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন তুহিন ও বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের তোলা প্রজাপতির নির্বাচিত ছবি নিয়ে প্রদর্শনী। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রজাপতি আকৃতির প্রদর্শনী ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় প্রজাপতি বিষয়ক বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা।