নীল জলে ভেসে বেড়ানোর ক্যারিয়ার

প্রতিযোগিতার এই সময়ে সকলেই দ্রুত একটি চাকরি পেয়ে নিজের অবস্থানটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তবে আমাদের দেশে চাকরির বাজারে ভিন্নধর্মী বিষয়গুলো নিয়ে অনেকেরই ভালো ধারণা নেই। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এমনই একটি পেশা। ইঞ্জিনিয়ারিং এই বিষয়ে রয়েছে সারা বিশ্বে চাহিদা। কেবল দেশেই নয়, বিদেশেও তাই ভালো ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ালেখা করে। ভালো আয়-রোজগারের পেশাগুলোর মধ্যে জাহাজ পরিবহন সংশ্লিষ্ট মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং অন্যতম। বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই পরিবাহিত হয় শিপিং ইন্ডাস্ট্রি দ্বারা। বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক আয়ের প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার আসে ৫০,০০০ মার্চেন্ট শিপ থেকে। বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশের ওয়ার্ল্ড ফিড নিবন্ধিত প্রায় তের লাখ সিফেয়ারার্স সারা বিশ্বে শিপিংয়ে কর্তব্যরত, যার বেশিরভাগ সিনিয়র কর্মকর্তাই উন্নত দেশগুলোর। তবে ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মকর্তার সংখ্যা এবং চাহিদা। আর নতুন করে নিয়োগপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেই। বর্তমান আন্তর্জাতিক জাহাজ শিল্পে ১ লাখ মেরিন কর্মকর্তা ও ৫ লাখ নাবিকের তীব্র সংকট রয়েছে। তাই এই পেশায় দক্ষ হয়ে উঠতে পারলে এই বিপুল পরিমাণ চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরাও নিজেদের ভবিষ্যত নিশ্চিত করে নিতে পারে। এ সুযোগ নিতে হলে এখন থেকে প্রতি বছর ৮০০ থেকে ১,০০০ মেরিন অফিসার তৈরি করা দরকার। আমাদের পাশের দেশ ভারত ২০০৯ সনে ৮৭,০০০ এবং চীন ২০০৯ সনে ১,৫৫,০০০ মেরিন অফিসার ও নাবিক তৈরি করেছে। বর্তমানে আমাদের দেশেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীই এখন একে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আরও জানতে ফোন করুন ০১৮৪১১৬১১৬১, ০১৭৩১০০৬৯৮৯ নম্বরে। ভর্তির যোগ্যতা :গণিত ও পদার্থ বিদ্যায় আলাদাভাবে ৩.৫ ও ইংরেজিতে ৩.০ থাকতে হবে অথবা আইইএলটিএস গড় স্কোর ৫.৫ থাকতে হবে। এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় গোল্ডেন ৫ প্রাপ্তদের জন্য রয়েছে স্কলারশিপের সুবিধা। এখানে ভর্তি ফি ৩০,০০০ টাকা থেকে ৪২,৫০০ টাকা, মোট খরচ ১০,৫০০ টাকা। যোগাযোগ :ওয়েস্টার্ন মেরিন একাডেমি, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।