লোকসান মেনে নেয়া যায় না

বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগের লোকসান মেনে নেয়া যায় না। বাংলাদেশের কোনো একটি যাত্রীবাহী ট্রেন নেই যা নির্ধারিত আসনের চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করে না। আমার জীবনে আমি অসংখ্যবার ট্রেনে ভ্রমণ করেছি। কোনোদিন নিজের আসনের আশেপাশে কোনো খালি আসন দেখিনি। উপরন্তু, ঠাসাঠাসি ছিল সর্বত্র। এই সেদিন আমি একটি জরুরি কাজে ঢাকায় গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময় অতিপরিচিত লোকের সুবাদে অনেক কষ্টে অগ্রিম টিকেট সংগ্রহ করি। কিন্তু ফিরতি টিকেট কিছুতেই সংগ্রহ করতে পারিনি। তাই ৩ গুণ টাকা দিয়ে কালোবাজারি থেকে টিকেট কিনতে হলো। এসবই ছিল অগ্রিম টিকেট। বগির ভেতরের ঠাসাঠাসির কথা না-ই বললাম। এ হচ্ছে বাংলাদেশের ট্রেনের ব্যবসা। রেলের অবকাঠামো নির্মাণও অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন নির্মাণও তেমন নেই। যা আছে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়। তাহলে রেলওয়ে বিভাগের লোকসান হচ্ছে কোন্ কারণে? আমি মনে করি, যাত্রীসেবা থেকে আদায়কৃত টাকা রেলের সকল খরচ মিটিয়ে সরকারের রাজস্ব খাতে অর্থ জোগান দেয়া সম্ভব। মালামাল পরিবহনের আয় অতিরিক্ত রাজস্ব আয় হিসেবে গণ্য করা যায়। বড়-ছোট সব স্টেশন সংলগ্ন রেলের যে বিশাল পরিমাণ জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে তার জন্য সম্ভবত রেলের দপ্তরেও নেই। এসব জমির একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অতিজরুরি। শুধু সরকার নয়, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে সত্ সহযোগিতাতেই তা এটা সম্ভব। মো. আলাউদ্দিন, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।